কলেজছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত করে তাদের বিভিন্ন মেয়াদের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। সেই সাথে আদালত তাদের দু’জনকে এক লক্ষ দশ হাজার টাকা জরিমানাও করা হয়েছে। বৃহঃ বার (৫ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাব্যুনাল-১ এর বিচারক (জেলা দায়রা জজ) মুহাম্মদ আব্দুর রহিম এই রায় দেন। দণ্ডিত ব্যক্তিরা হলেন জেলার দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার বালুগ্রাম দক্ষিণপাড়া গ্রামের মোঃ সালাম এর ছেলে মো. ফকির আলী (৩৫) এবং একই গ্রামের মো. আমিনুল ইসলামের ছেলে নুর জামান (৪০)। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পি.পি) মো. ফজলুল হক সাংবাদিকদের জানায়, দণ্ডিত ব্যক্তিরা পথে এক মেয়েকে বিভিন্ন সময় ক ুপ্রস্তাব দিত। এতে মেয়েটি রাজি না হওয়ায় গত ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ সকালে মেয়েটি অন্যন্যদের সাথে প্রাইঋেঁ পড়া শেষ করিয়া বাড়ি ফির ছিল। তখন দন্ডপ্রাপ্ত আসামীরা মো. ফকির আলীর মুদি দোকানের সামনে পৌঁছালে তাকে কুপ্রস্তাব দেয়। ্এতে মেয়েটি প্রতিবাদ করায় ফকির ও নূর জামান তার উপর চড়াও হয় এবং যৌন হয়রানি করে। তার শরীরের বিভিন্ন জায়গায় হাত দেয় এবং ঠোঁটে চুমু দেয়। এতে মেয়েটির মা এলাকার লোকজনকে জানায় এবং এলাকার লোকজন এর কোন শালিসের কোন উদ্যোগ নেয় নাই। তাই সামাজিক ন্যায়বিচার না পেয়ে ভিকটিমের মা আদালতে মামলা দায়ের করেন। তদন্তের পর পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে। বিচারক নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১, মুহাম্মদ আব্দুর রহিম ৪ জন সাক্ষী এবং প্রাসঙ্গিক নথি পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাদের দোষী সাব্যস্ত করেন এবং মোঃ ফকির আলীকে আট বছরের কারাদণ্ড এবং ৬০ হাজার টাকা জরিমানা এবং নূর জামানকে সাত বছরের কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। সরকার পক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন, পি,পি এ্যাডভোকেট মোঃ ফজলুল হক তাকে সহযোগীতা করেন এ,পি,পি এ্যাডভোকেট রোজিনা আকতার এবং আসামী পক্ষে ছিলেন, এ্যাডভোকেট মোঃ মেহেদী হাসান তাকে সহযোগীতা করেন এ্যাডভোকেট মোঃ হারুন-অর-রশিদ ।