সংঘাত নয়, শান্তি ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে “সহিংসতামুক্ত শান্তিপূর্ণ নির্বাচনে নাগরিক সমাজ ও প্রশাসনের ভূমিকা”শীর্ষক এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার দিরাই উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সম্মেলন কক্ষে পিস ফ্যাসিলিটেটর গ্রুপ (পিএফজি), ইয়ুথ পিস অ্যাম্বাসেডর গ্রুপ (ওয়াইপিজি) ও ওয়েভ-এর উদ্যোগে এ সভা আয়োজন করা হয়। দিরাই পিএফজির সমন্বয়কারী সামছুল ইসলাম সরদার খেজুরের সভাপতিত্বে এবং ওয়াইপিজির যুগ্ম সমন্বয়কারী লিপিকা বিশ্বাসের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দিরাই উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা স্বন্দীপন মজুমদার। বিশেষ অতিথি ছিলেন দিরাই উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা লক্ষ্ণী রানী তালুকদার লাকী। মতবিনিময় সভায় সংঘাতমুক্ত ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের দাবিতে রাজনৈতিক দল, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন। আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন দিরাই উপজেলা সুজনের সাধারণ সম্পাদক নুরুল আজিজ চৌধুরী, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও দিরাই পিএফজির পিস অ্যাম্বাসেডর আব্দুল কুদ্দুছ, দিরাই প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান লিটন, দিরাই উপজেলা কৃষকদলের আহ্বায়ক সালাহ উদ্দিন তালুকদার এবং তাগল ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক মহিলা সদস্য আফসা বেগম। স্বাগত বক্তব্য রাখেন দি হাঙ্গার প্রজেক্টের একে কুদরত পাশা। আলোচকরা বলেন, নির্বাচনের সময় সহিংসতা প্রতিরোধ, ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং নির্বাচনী আচরণবিধি কঠোরভাবে বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব। সব রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণে সংলাপ ও মতবিনিময়ের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী পরিবেশ তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। সভায় আরও বলা হয়, নির্বাচনের আগে ও পরে যে কোনো ধরনের সংঘাত বা বিশৃঙ্খলা রোধে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে সতর্ক ভূমিকা পালন করতে হবে। একই সঙ্গে ভোটাররা যাতে নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, তা নিশ্চিত করা জরুরি। সভায় বক্তব্য রাখেন পিএফজি সদস্য আলী আহমদ খান, সৈয়দুর রহমান তালুকদার, জুয়েল আহমদ, প্রশান্ত সাগর দাস, পারভীন আক্তার, শাম্মী আক্তার, রুপিয়া আক্তার, শফিকুল ইসলাম বাবুল, রাসেল তালুকদার, রিয়াজুল ইসলাম, রাহেলা বেগম, মজিদা খাতুন, ফয়সল আহমদ, তোয়াফেল আহমদ, দূলপতি নন্দী, তাকমিনা আক্তার, নাজিয়া সরদার, বাবলী, নুবর্ণা আক্তার, বন্নী, অপি রানী সরকার ও লিলি বেগমসহ অনেকে। রাজানগর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও পিএফজি সদস্য আলী আহমদ খান বলেন, তার ইউনিয়নে সাতটি ভোটকেন্দ্র রয়েছে এবং নির্বাচনের সময় বা পরবর্তীতে কোনো ধরনের সংঘাত সংঘর্ষ হবে না-এ বিষয়ে তিনি আশ্বাস দেন। মতবিনিময় সভা শেষে শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের আহ্বানে উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে লিফলেট বিতরণ করা হয়।