তানোরে ৬১টি ভোটকেন্দ্রের ৩০টি অধিক ঝুঁকিপূর্ণ

মো: ইমরান হোসাইন; তানোর, রাজশাহী
| আপডেট: ৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, ০৪:৩০ পিএম | প্রকাশ: ৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, ০৪:৩০ পিএম
তানোরে ৬১টি ভোটকেন্দ্রের ৩০টি অধিক ঝুঁকিপূর্ণ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-১ আসনের তানোর উপজেলায় ৬১টি ভোটকেন্দ্রের ৩০টি অধিক ঝুঁকিপূর্ণ। পর্যাপ্ত নিরাপত্তায় ভাঙ্গা ও বেহাল ভোটকেন্দ্রগুলো সংস্কার করা হয়েছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারী সারাদিন সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত একটানা ভোট উৎসব। তানোর উপজেলায় ৬১টি স্কুল, কলেজ ও মাদ্রসায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এসব কেন্দ্রের ৩০টি কেন্দ্রকে ‘অধিক ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে জেলা প্রশাসকের অধিনস্থ্য ইউএনও অফিস। এসব কেন্দ্রে অতিরিক্ত সতর্কতা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বাড়তি তৎপরতা জোরদার নিরাপত্তায় প্রায় বিশ লাখ টাকা ব্যয়ে ৩০টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ৪টি নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র সংস্কার করা হচ্ছে। কেন্দ্রগুলো সংস্কার বাবদ সর্বনিম্ন ৪০ হাজার থেকে সর্বচ্চো দেড় লাখ টাকা ব্যয় ধরা হয়। সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার তানোর ইউএনও অফিসের হিসাব রক্ষক মোহাম্মাদ আলাউদ্দিন এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, অধিক ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে বিশেষ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিয়োজিত থাকবে। সবার সহযোগিতায় শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত সম্ভব বলে জানান তিনি। সংশ্লিষ্ট কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সদরে অবস্থিত তানোর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রসহ ৩০টি কেন্দ্রকে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। পুরো উপজেলার দুটি পৌরসভা ও সাতটি ইউনিয়নে ভোটার সংখ্যা ১ লাখ ৭১ হাজার ৮৭০ জন। এরমধ্যে পুরুষ ৮৪ হাজার ৫৪৬ জন। আর নারী ভোটার ৮৭ হাজার ৩২৪ জন। ভোটার এলাকা ২০৩টি। ৬১ ভোটকেন্দ্রে সমপরিমান প্রিজাইডিং থাকবে। আর ৩৪০টি কক্ষে সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসার মাধ্যমে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। তবে, এব্যাপারে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও তানোর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) নাঈমা খানের সরকারি মোবাইলে একাধিকবার ফোন দেয়া হলেও রিসিভ হয়নি। আসনটিতে এবারে মোট ৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও সাধারণ ভোটারদের মুখে মুখে ঘুরছে দুই হেভিওয়েট প্রার্থীর নাম। তারা হলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর সাবেক এমপি অধ্যাপক মুজিবুর রহমান (দাঁড়িপাল্লা) ও বিএনপি মনোনীত মেজর জেনারেল (অব.) শরীফ উদ্দিন (ধানের শীষ)। তিনি প্রয়াত মন্ত্রী ব্যারিস্টার আমিনুল হকের ছোটভাই। এবারেই প্রথম তিনি এমপি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এছাড়াও গণঅধিকার পরিষদের মীর মো. শাহজাহান (ট্রাক), এবি পার্টির মো. আব্দুর রহমান (ঈগল) এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আল সাআদ (মোবাইল ফোন) নির্বাচনে থাকলেও তাদের প্রচারণা সীমিত। এসব প্রার্থীকে ভোটাররা পোস্টারে ছবি দেখেও অনেকে চিনছেন না। ফলে অন্যকে জিজ্ঞেস করে প্রার্থীর নাম পরিচয় জানছেন। রাজশাহী জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতার জানান, আমাদের মূল টার্গেট সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভোট গ্রহণ। অতিগুরুত্বপূর্ণ ও কম গুরুত্বপূর্ণ সব কেন্দ্রকেই গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে। প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা, প্রিসাইডিং অফিসার ও কেন্দ্রে দায়িত্বে নিয়োজিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বডি অন ক্যামেরা বসানো হচ্ছে। ই/তা
আপনার জেলার সংবাদ পড়তে