ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের আনুষ্ঠানিক প্রচার-প্রচারণা আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৭টায় শেষ হয়েছে। ভোটগ্রহণ শুরুর ৪৮ ঘণ্টা আগে সব ধরনের সভা, সমাবেশ ও মিছিলের ওপর নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হয়েছে।
আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, সবাই ব্যস্ত প্রচার-প্রচারণায়। তবে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৭টায় এটা শেষ করতে হবে।
নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানান, নির্বাচনে রাজনৈতিক দলের প্রচার ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টায় বন্ধ হবে, ভোটগ্রহণের ৪৮ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভোটগ্রহণ শুরুর ৪৮ ঘণ্টা পূর্বে সংসদ নির্বাচনের প্রচার বন্ধ করতে হয়। এবারের নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হবে ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টায়। তার ৪৮ ঘণ্টার আগে বলতে বোঝায় ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা।
সম্প্রতি জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বাতিল করেছে ইসি। নির্বাচনে ৫১টি রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করছে। মোট প্রার্থী দুই হাজার ৩৪ জন, এর মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী ২৭৫ জন।
রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রার্থী দিয়েছে বিএনপি। দলটির প্রতীক ‘ধানের শীষ’ নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ২৯১ জন প্রার্থী। এছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৫৮ জন প্রার্থী ‘হাতপাখা’ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। জামায়াতের ২২৯ জন প্রার্থী ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। এছাড়া জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন ১৯৮ জন প্রার্থী। অন্যদিকে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) শাপলা কলি প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন ৩২ জন প্রার্থী। স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে ৭৬ জন ‘ফুটবল’ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
১২ ফেব্রুয়ারি ২৯৯ সংসদীয় আসনে একযোগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।