বহু প্রতীক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারী) । অন্তর্বর্তী সরকার ও নির্বাচন কমিশন আশা করছে, এই ঐতিহাসিক নির্বাচন সুন্দর,শান্তিপূর্ণ এবং উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হবে। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত চাঁদপুর জেলার পাঁচটি সংসদীয় আসনসহ দেশের ২৯৯ আসনে একটানা ভোট গ্রহণ চলবে। ইতিমধ্যে ভোটের সব প্রস্তুতি শেষ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।সেই সুবাদে
চাঁদপুর জেলাতেও জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং অফিসার, সহকারী রিটার্নিং অফিসার (ইউএনও), জেলা নির্বাচন অফিস এবং আইন শৃঙ্খলা বাহিনী ভোটের সব ধরনের আয়োজন,নিরাপত্তা সম্পন্ন করেছে। বুধবার সকাল থেকে উপজেলা পরিষদ থেকে কেন্দ্রওয়ারী ভোটের সরঞ্জাম বিতরণ করা হয়। নির্বাচনী সরঞ্জাম কেন্দ্রে কেন্দ্র নিয়ে গেছেন প্রিজাইডিং, পোলিং অফিসারসহ সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে ঘিরে চাঁদপুরের সর্বত্র উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। সাপ্তাহিক ছুটির সাথে নির্বাচন উপলক্ষে সাধারণ ছুটি যোগ হওয়ায় ভোটের আগের দিন বুধবার দিনভর ছিল ঈদের মতোই পরিবেশ। নাড়ির টানে গ্রামের বাড়িতে ভোট দিতে আসতে পেরে অন্যরকম আনন্দ বিরাজ করছে সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬-কে কেন্দ্র করে চাঁদপুর জেলায় কঠোর ও বহুমাত্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে প্রশাসন। জেলার মোট ৭০৬টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা কেন্দ্রে অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন হয়েছে। নদীর তীরবর্তী ইউনিয়ন গুলোর ভোটকেন্দ্রে নিরাপত্তায় কোস্টগার্ড নৌ পুলিশ নিয়োজিত রয়েছে। সড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। সেনাবাহিনী, বর্ডার গার্ড রেব পুলিশ চাঁদপুর জেলার পাঁচটি সংসদীয় আসনে এবারের নির্বাচনে ৭০৬টি ভোটকেন্দ্র ও ৪ হাজার ২৭৬টি বুথে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। উপজেলা ভিত্তিতে ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা হলো- ফরিদগঞ্জে ১১৮টি, মতলব দক্ষিণে ৫৭টি, মতলব উত্তরে ৯৮টি, কচুয়ায় ১১০টি, চাঁদপুর সদরে ১৩৩টি, হাজীগঞ্জে ৯০টি, হাইমচরে ৩২টি এবং শাহরাস্তিতে ৬৮টি। নির্বাচনের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলার আটটি উপজেলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ২১ বীর ব্যাটালিয়ন ও ১৮ ইঞ্জিনিয়ার ব্যাটালিয়নের প্রায় ১ হাজার সদস্য মোতায়েন রয়েছে। একইসঙ্গে প্রতিটি উপজেলায় দুইটি করে বিজিবি প্লাটুন দায়িত্ব পালন করছে, যেখানে প্রতি প্লাটুনে রয়েছে ১৮ থেকে ২০ জন সদস্য। এছাড়া ভোটগ্রহণ কার্যক্রমে ৮ হাজার ৫২০ জন পুলিশ, আনসার ও ভিডিপি সদস্য এবং ১ হাজার ৪১২ জন গ্রাম পুলিশ দায়িত্ব পালনে নিয়োজিত। এছাড়া র্যাব, গোয়েন্দা সংস্থার সদস্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা এবং চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারকগণ সার্বক্ষণিকভাবে ভোটকেন্দ্র ও আশপাশের এলাকায় টহলে থাকছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বিশেষ নজরদারি ও মোবাইল টিমের মাধ্যমে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হবে। ভোটগ্রহণ কার্যক্রম পরিচালনায় প্রতিটি কেন্দ্রে একজন করে প্রিজাইডিং অফিসার, প্রতিটি কক্ষে একজন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ও দুইজন পোলিং অফিসার দায়িত্ব পালন করছেন। সে অনুযায়ী জেলায় মোট ৭০৬ জন প্রিজাইডিং অফিসার ও ৪ হাজার ২৬০ জন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার নিযুক্ত করা হয়। চাঁদপুর জেলার পাঁচটি সংসদীয় আসন- চাঁদপুর-১ (কচুয়া) আসন নং-২৬০, চাঁদপুর-২ (মতলব দক্ষিণ-উত্তর) আসন নং-২৬১, চাঁদপুর-৩ (সদর-হাইমচর) আসন নং-২৬২, চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) আসন নং-২৬৩ এবং চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ- শাহরাস্তি) আসন নং-২৬৪। জেলা নির্বাচন অফিসের সর্বশেষ হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, চাঁদপুর জেলার পাঁচটি আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ২৩ লাখ ৩১ হাজার ২৩৫ জন। এর মধ্যে নারী ভোটার ১১ লাখ ২৯ হাজার ৮৭৪ জন, পুরুষ ভোটার ১২ লাখ ১ হাজার ৬৪৪ জন এবং হিজড়া ভোটার রয়েছেন ১১ জন।
জেলার ৮ উপজেলার ৫টি আসনের বর্তমান ভোটার সংখ্যা-
চাঁদপুর- ১ (কচুয়া ও পৌরসভাসহ): এ আসনে ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৫৬ হাজার ৪শ ৯২জন। এর মধে নারী ভোটার ১ লাখ ৭২ হাজার ২শ ১৮ জন এবং পুরুষ ভোটার সংখ্যা -১ লাখ ৮৪ হাজার ৫শ ৬৫ জন। কেন্দ্র ১শ ১০ টি এবং কক্ষ ৬শ ৩৬ টি। চাঁদপুর-১ কচুয়া ৪ জন প্রার্থী।
চাঁদপুর- ২ (মতলব দক্ষিণ ও মতলব উত্তর, ছেঙ্গারচর ও মতলব পৌরসভাসহ) এ আসনে ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ১ হাজার ৬৯ জন। এর মধে নারী ভোটার ২ লাখ ৪৪ হাজার ৫শ ৭৮ জন এবং পুরুষ ভোটার সংখ্যা -২ লাখ ৬৫ হাজার ৪শ ৮৯ জন। কেন্দ্র ১শ ৫৫টি এবং কক্ষ ৯শ ১৮টি। চাঁদপুর-২ (মতলব উত্তর-দক্ষিণ) ৫ জন।
চাঁদপুর-৩ (চাঁদপুর সদর-হাইমচর ও পৌরসভাসহ):এ আসনে ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ৪৬ হাজার ৩শ ৩০ জন। এর মধে নারী ভোটার ২ লাখ ৬৩ হাজার ৬শ ৪২ জন এবং পুরুষ ভোটার সংখ্যা-২ লাখ ৮২ হাজার ৭শ ৬ জন। কেন্দ্র ১শ ৬৫টি এবং কক্ষ ৯শ ৯৪ টি।
চাঁদপুর -৪ (ফরিদগঞ্জ ও পৌরসভা):এ আসনে ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৬শ ৩১ জন। এর মধে নারী ভোটার ১ লাখ ৯২ হাজার ২৬ জন এবং পুরুষ ভোটার সংখ্যা-২ লাখ ৮ হাজার ৬শ ৪ জন। কেন্দ্র ১শ ১৮টি এবং কক্ষ ৭শ ৩৭টি। চাঁদপুর-৪(ফরিদগঞ্জ) আসনে ৪ জন প্রার্থী।
চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ-পৌর সভা ও শাহরাস্তি-পৌরসভা) এ আসনে ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ২৬ হাজার ৭শ ১৩ জন । এর মধ্যে হাজীগঞ্জের পৌরসভাসহ ভোটারসহ নারী ভোটার ২ লাখ ৫৭ হাজার ৮শ ৩০ জন এবং শাহরাস্তি পৌরসভাসহ ভোটার পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৬৯ হাজার ২ শ ৮০ জন। চাঁদপুর জেলার পাঁচটি সংসদীয় আসনে এবারের নির্বাচনে ৭০৬টি ভোটকেন্দ্র ও ৪ হাজার ২৭৬টি বুথে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। উপজেলা ভিত্তিতে ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা হলো- ফরিদগঞ্জে ১১৮টি, মতলব দক্ষিণে ৫৭টি, মতলব উত্তরে ৯৮টি, কচুয়ায় ১১০টি, চাঁদপুর সদরে ১৩৩টি, হাজীগঞ্জে ৯০টি, হাইমচরে ৩২টি এবং শাহরাস্তিতে ৬৮টি। চাঁদপুর জেলার পাঁচটি সংসদীয় আসনে ৩৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
ভোটের লড়াইয়ের প্রার্থীরা হলেন :
চাঁদপুর-১ (কচুয়া): আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী আবু নছর মোহাম্মদ মকবুল আহমেদ, জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী হাবিব খান, গণঅধিকার পরিষদের ট্রাক প্রতিকের প্রার্থী মো. এনায়েত হোসেন, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মোমবাতি প্রতিকের প্রার্থী মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন, গণফোরামের উদীয়মান সূর্যের প্রার্থী মোহাম্মদ আজাদ হোসেন।
চাঁদপুর-২ (মতলব উত্তর ও মতলব দক্ষিণ): আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী ড. মো. জালাল উদ্দিন, ১০ দলীয় জোট (এলডিপি) ছাতা প্রতিকের প্রার্থী মো. বিল্লাল হোসেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর হাতপাখার প্রার্থী মানসুর, জাতীয় পার্টি লাঙ্গল প্রাতিকের প্রার্থী মো. এমরান হোসেন মিয়া, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির হাতী প্রতিকের প্রার্থী মো. ফয়জুন্নুর, গণঅধিকার পরিষদ ট্রাক প্রতিকের প্রার্থী মো. গোলাপ হোসেন, বাংলাদেশ লেবার পার্টির আনারস প্রতিকের প্রার্থী নাসিমা নাজনিন সরকার, নাগরিক ঐক্য এর কেটলি প্রতিকের প্রার্থী মো. এনামুল হক।
চাঁদপুর-৩ (সদর-হাইমচর): আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রতীকের প্রার্থী শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতিকের প্রার্থী মো. শাহজাহান মিয়া, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর হাতপাখা প্রতিকের প্রার্থী মো. জয়নাল আবেদিন শেখ, গণফোরাম এর উদীয়মান সূর্য প্রতিকের প্রার্থী সেলিম আকবর, গণঅধিকার পরিষদ এর ট্রাক প্রতিকের প্রার্থী মো. জাকির হোসেন, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট এর মোমবাতি প্রতিকের প্রার্থী এ. এইচ. এম আহসান উল্লাহ, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির কাস্তে প্রতিকের প্রার্থী মো. জাহাঙ্গীর হোসেন।
চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ): আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতিকের প্রার্থী মো. হারুনুর রশিদ, জামায়াত মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতিকের প্রার্থী মো. বিল্লাল হোসেন মিয়াজী, জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতিকের প্রার্থী মাহমুদ আলম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর হাতপাখা প্রতিকের প্রার্থী মকবুল হোসাইন, স্বতন্ত্র প্রার্থী চিংড়ি প্রতিকের এম এ হান্নান, গনফোরাম এর উদীয়মান সূর্য প্রতিকের প্রার্থী মো. মুনির চৌধুরী, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট এর মোমবাতি প্রতিকের প্রার্থী আব্দুল মালেক বুলবুল, স্বতন্ত্র ঘুড়ি প্রতিকের প্রার্থী জাকির হোসেন।
চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি): আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতিকের প্রার্থী মো. মমিনুল হক, ১০ দলীয় জোট (এলডিপি) ছাতা প্রতিকের প্রার্থী মো. নেয়ামুল বশির, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর হাতপাখা প্রতিকের প্রার্থী মোহাম্মদ আলী পাটোয়ারি, জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতিকের প্রার্থী মির্জা গিয়াস উদ্দিন, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ এর চেয়ার প্রতিকের প্রার্থী সৈয়দ বাহাদুর শাহ্ মুজাদ্দেদী, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ এর আপেল প্রতিকের প্রার্থী মো. মাহমুদ হাসান নয়ন।
উল্লেখিত প্রার্থীদের মধ্যে কয়েকজন বিএনপি প্রার্থীকে সমর্থন জানিয়ে নির্বাচন থেকে সরে গেছেন। উল্লেখ্য,
গত ১১ ডিসেম্বর ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল ঘোষণা করা হয়। নির্বাচন কমিশনে মোট নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল আছে ৬০টি। এর মধ্যে কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় আওয়ামী লীগের নিবন্ধন স্থগিত আছে। নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে মোট ৫০টি রাজনৈতিক দল। ইসির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে ২৯৯ আসনে মোট প্রার্থী আছেন ২ হাজার ২৮ জন। এর মধ্যে ৫০টি রাজনৈতিক দলের প্রার্থী ১ হাজার ৭৫৫ জন, স্বতন্ত্র প্রার্থী ২৭৩ জন। মোট নারী প্রার্থী আছেন ৮১ জন। এবারের নির্বাচনে মোট ভোটারের সংখ্যা ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৭৯৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ৩৬১ জন, নারী ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ২০০ জন আর হিজড়া পরিচয়ে ভোটার আছেন ১ হাজার ২৩২ জন। এবার প্রথমবারের মতো নির্বাচনে ড্রোন, বডি ওর্ন ক্যামেরা ও ব্যাপকভাবে সিসিটিভি ক্যামেরা ব্যবহার করা হচ্ছে। ইসি জানিয়েছে, ৯০ শতাংশের বেশি কেন্দ্রে সিসিটিভি নজরদারি নিশ্চিত করা হয়েছে।
ভোট গণনা ও ফলাফল যেভাবে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোটের দুটি ব্যালট একই সঙ্গে গণনা করা হবে। কেন্দ্র পর্যায়ে প্রাথমিক ফলাফল প্রকাশের পর তা রিটার্নিং কর্মকর্তার মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনে পাঠানো হবে। নির্বাচন কমিশন আশা করছে, বেশিরভাগ আসনের ফলাফল মধ্যরাতের মধ্যে পাওয়া যাবে। ভোট গণনার বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল বলেন, ভোট গ্রহণ শেষ হওয়ার পরপরই কেন্দ্রে গণনার প্রক্রিয়া শুরু হবে। প্রথমে সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ব্যালট আলাদা করা হবে। সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ব্যালট একই সময়ে গণনা করা হবে। দুটি ভোটের ফলাফলও একসঙ্গে ঘোষণা করা হবে। ভোটকেন্দ্রেই ভোটের ফলাফল ঘোষণা করা হবে। তিনি বলেন, বেশিরভাগ কেন্দ্রের ফলাফল ভোটের দিন মাঝরাতের মধ্যে চলে আসবে বলে তারা আশা করছেন। পরদিন সকালে সব ভোটকেন্দ্রের ফলাফল একীভূত করে ফরম-১৮-তে লিপিবদ্ধ করে প্রার্থী বা এজেন্টের উপস্থিতিতে রিটার্নিং কর্মকর্তারা সই করবেন। এটার ভিত্তিতে ফলাফলের গেজেট প্রকাশ করা হবে। চাঁদপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে এখানকার পাঁচটি সংসদীয় আসনের ফলাফল ঘোষণা করার জন্য বড় পর্দায় দেখানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। ভোটের মাঠে আইনশৃঙ্খলা পরিবেশের বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে সানাউল্লাহ বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার্থে প্রথমবারের মতো এবার ইউএভি আনম্যানড এরিয়াল ভেহিক্যাল ব্যবহার করা হচ্ছে। ড্রোন ব্যবহার করা হচ্ছে। বডি ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহার করা হচ্ছে। পুরো দেশেই এটা বিস্তৃত থাকবে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে ওভারল্যাপ থাকবে। সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।