নোয়াখালী-৬ হাতিয়া আসনে নির্বাচনী সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। এতে সাংবাদিকসহ অর্ধ শতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। এরমধ্যে বেশিরভাগই ১১ দলীয় জোট প্রার্থী এনসিপি নেতা আবদুল হান্নান মাসউদের সমর্থক বলে জানা গেছে।
সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রভাব বিস্তার নিয়ে কেন্দ্রে কেন্দ্রে এসব হামলা-সংঘর্ষ ও আহতের ঘটনা ঘটেছে। সকাল ১০টার দিকে চরঈশ্বর ইউনিয়নের বাংলাবাজার এলাকায় কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে ফেরার পথে হান্নান মাসুদের গাড়ী বহরে হামলা করে বিএনপি কর্মীরা। এসময় বাংলাদেশ টেলিভিশনের স্টাফ রিপোর্টার মিরাজ উদ্দিনসহ অন্তত ১০জন আহত হন। সাংবাদিক মিরাজের মাথায় ও পিঠে কুপিয়ে জখম করে সন্ত্রাসীরা।
বেলা ১১টার দিকে বুড়িরচর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের আসাদিয়া কেন্দ্র পরিদর্শনের সময় আবদুল হান্নান মাসউদের স্ত্রী শ্যামলী সুলতানা জেদনীর ওপর হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিএনপি নেতা লিটন চৌধুরী ও স্বপন মেম্বারের নেতৃত্বে একদল দুর্বৃত্ত দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এসময় সন্ত্রাসীরা তাকে রড দিয়ে পিটিয়ে জখম করে এবং হাতের মোবাইল ফোন কেড়ে নেয়। এমনকি ভিডিও করার সময় আরেক এনসিপি নেতার মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয়।
দুপুরে হাতিয়া পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ওছখালী বাজারে হান্নান মাসউদের সমর্থক আবদুর কাদের ও তার ছেলে মো. ফয়সালের উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। আবদুল কাদের অভিযোগ করে বলেন হামলাকারীরা সবাই বিএনপির প্রার্থী মাহবুবের শামীমের সমর্থক। এছাড়াও হামলার ঘটনা ঘটেছে বুড়িরচর, জাহাজমারা ও সোনাদিয়া ইউনিয়নে।
উপজেলা স্বাস্থ কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মানছুর উদ্দিন জানান, সকাল থেকে হাসপাতালে ৩০ জনের মতো লোক এসেছে। তাদের মধ্যে চারজন ভর্তি আছে। অন্যরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি চলে গেছে।