বগুড়া-৬ আসনে বড় ব্যবধানে এগিয়ে তারেক রহমান, সব কেন্দ্রে জয়ের দাবি বিএনপির

নিজস্ব প্রতিবেদক
| আপডেট: ১২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, ১০:৪৮ পিএম | প্রকাশ: ১২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, ১০:৪৮ পিএম
বগুড়া-৬ আসনে বড় ব্যবধানে এগিয়ে তারেক রহমান, সব কেন্দ্রে জয়ের দাবি বিএনপির

বগুড়া-৬ সদর আসনে প্রাপ্ত ফলাফলে বড় ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও ধানের শীষের প্রার্থী তারেক রহমান। স্থানীয়ভাবে পাওয়া কেন্দ্রভিত্তিক ফল বলছে, তিনি প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের তুলনায় অনেক বেশি ভোট পেয়েছেন। বিএনপি নেতাদের দাবি, সব ১৫০টি কেন্দ্রেই তিনি বিজয়ী হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে সাতটা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত উৎসবমুখর পরিবেশে এই আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। বিকেল থেকেই জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় ও উপজেলা সদর থেকে ফল আসতে শুরু করে। সদরের এ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৫৪ হাজার ২৯ জন। ভোট পড়েছে ৭১ দশমিক ৩৪ শতাংশ বলে জানিয়েছেন জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ফজলুল হক।

স্থানীয়ভাবে প্রাপ্ত ১১৬টি কেন্দ্রের ফলাফলে দেখা গেছে, তারেক রহমান পেয়েছেন ১ লাখ ৬১ হাজার ৬৫১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবিদুর রহমান সোহেল, প্রতীক দাঁড়িপাল্লা, পেয়েছেন ৭২ হাজার ১৮০ ভোট। এই হিসাবে ১১৬টি কেন্দ্র শেষে তারেক রহমান ৮৯ হাজার ৪৭১ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন। অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলনের আ ন ম মামুনুর রশীদ, প্রতীক হাতপাখা, পেয়েছেন ২ হাজার ৩৬ ভোট। বাসদ মনোনীত দিলরুবা নুরী, প্রতীক মই, পেয়েছেন ৬৩৯ ভোট। জাসদের আব্দুল্লাহ আল ওয়াকী, প্রতীক তারা, পেয়েছেন ২১২ ভোট।

অন্যদিকে ৬৭টি কেন্দ্রের ফলাফলের তথ্য দিয়ে বগুড়া সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মাফতুন আহম্মেদ খান রুবেল জানান, সেখানে তারেক রহমান পেয়েছেন ১ লাখ ১৫ হাজার ৩২ ভোট। আবিদুর রহমান সোহেল পেয়েছেন ৩৮ হাজার ৩৫৬ ভোট। তার ভাষায়, “আমরা আমাদের এজেন্টদের মাধ্যমে ভোটের ফলাফল পেয়েছি। তাতে জানতে পেরেছি তারেক রহমান ১৫০টি কেন্দ্রেই জিতেছেন।”

বগুড়া জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সহিদ উন নবী সালাম বলেন, “আমরা ১৭ বছর ভোটের অধিকারের জন্য রক্ত দিয়েছি। এবার মানুষ বাঁধভাঙা আনন্দে ভোট দিয়েছে। সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত ভোট প্রদানের মাধ্যমে তাদের অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এটি শুধু আমাদের নয়, বরং পুরো বগুড়াবাসীর গর্ব।”

সদর আসনের মোট ১৫০টি কেন্দ্রের মধ্যে বাকি ৩৪টি কেন্দ্রের ফলাফল আসার প্রক্রিয়া চলছিল। রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে চূড়ান্ত বেসরকারি ফলাফল ঘোষণার প্রস্তুতি নেওয়া হয়। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্ট্রাইকিং ফোর্সের টহল জোরদার করা হয়। শহরজুড়ে ফলাফল ঘিরে ছিল কৌতূহল ও অপেক্ষার আবহ।