মন্ত্রী হিসেবে এ্যানীকেই চান লক্ষ্ণীপুরবাসী

এফএনএস (নিজস্ব প্রতিবেদক) :
| আপডেট: ১৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, ০৮:২৪ পিএম | প্রকাশ: ১৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, ০৮:২৪ পিএম
মন্ত্রী হিসেবে এ্যানীকেই চান লক্ষ্ণীপুরবাসী

লক্ষ্ণীপুরের রাজনীতিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী। দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা, তৃণমূলের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক এবং জাতীয় পর্যায়ে দলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের কারণে সম্ভাব্য মন্ত্রিসভা নিয়ে তাঁর নাম জোরালোভাবে উচ্চারিত হচ্ছে। 

লক্ষ্ণীপুর-৩ (সদর) আসন থেকে তিনি তিনবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন-২০০১, ২০০৮ এবং সর্বশেষ ২০২৬ সালে।  রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং দীর্ঘদিন মাঠে সক্রিয় থাকার ফলেই তিনি বারবার ভোটারদের আস্থা পেয়েছেন। কেন্দ্রীয়ভাবে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-এর যুগ্ম মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। দলীয় নেতাকর্মীরা বলছেন, আন্দোলন-সংগ্রামের সময় রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা, মামলা-গ্রেপ্তার ও নানা প্রতিকূলতা মোকাবিলা তাঁকে তৃণমূলের কাছে আরও গ্রহণযোগ্য করে তুলেছে।  বিভিন্ন সময়ে তিনি কারাবাস ও হামলা-নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে নেতাকর্মীরা উল্লেখ করেন; তবে এ সংক্রান্ত সুনির্দিষ্ট পরিসংখ্যান সরকারি নথি অনুযায়ী যাচাই সাপেক্ষ। জেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তাঁকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান অনেকেই।  তাদের প্রত্যাশা লক্ষ্ণীপুরের উন্নয়ন, অবকাঠামো, নদীভাঙন প্রতিরোধ, কর্মসংস্থান, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে নতুন গতি আসবে যদি জেলার এই অভিজ্ঞ রাজনীতিক মন্ত্রিসভায় স্থান পান। চন্দ্রগঞ্জ এলাকার শিক্ষক নুরুল আমিন বলেন, তিনি তৃণমূলের নেতা। সুখে-দুঃখে মানুষ তাঁকে পাশে পায়। তাই আমরা চাই, তিনি মন্ত্রিসভায় দায়িত্ব পান। লক্ষ্ণীপুর সদর উপজেলার বাসিন্দা গৃহিণী নুরুন নাহার বলেন, আমাদের জেলার একজন যোগ্য প্রতিনিধি মন্ত্রী হলে নারীদের জন্যও নতুন সুযোগ তৈরি হবে। লক্ষ্ণীপুর পৌর শহরের ব্যবসায়ী স্বপন কুমার দাস বলেন,আমাদের প্রত্যাশা, এ্যানী ভাই সব সময় মানুষের পাশে থাকেন। 

তিনি মন্ত্রী হলে জেলার দীর্ঘদিনের সমস্যা দ্রুত সমাধানের পথ তৈরি হবে। সদর উপজেলার তরুণ উদ্যোক্তা মেহেদী হাসান বলেন, মন্ত্রী হলে শিল্প ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে-এটাই আমাদের আশা। নারী সংগঠক শামসুন্নাহার বেগম মনে করেন, তিনি দায়িত্ব পেলে নারী শিক্ষা ও নিরাপত্তা নিয়ে আরও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া সম্ভব হবে।  সব মিলিয়ে এখন সবার দৃষ্টি কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের দিকে। তবে প্রত্যাশার জায়গায় লক্ষ্ণীপুরবাসীর বড় একটি অংশ একমত-তাদের প্রিয় নেতা মন্ত্রিত্ব পেলে জেলার উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হতে পারে।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে