সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাজীপুর-৫ সংসদীয় আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি, বিএনপির সাবেক ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক, গাজীপুর জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও বর্তমান আহবায়ক আলহাজ্ব একেএম ফজলুল হক মিলন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। বিজয়ী এই সংসদ সদস্যকে মন্ত্রী পরিষদে চায় গাজীপুর-৫ (কালীগঞ্জ, পুবাইল ও বাড়ীয়া) আসনের মানুষ।
অনুসন্ধানে জানা যায়, কালীগঞ্জ পৌর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সালাহ উদ্দিন আহমেদ জানান, একেএম ফজলুল হক মিলনকে বিএনপি সরকারের মন্ত্রী পরিষদে স্থান দেওয়ার দাবী গাজীপুরের-৫ আসনের জনগণের।
কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপি’র সাবেক ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক মো. মনির উদ্দিন পাঠান (মিঠু) বলেন, রাজধানীর পার্শ¦বর্তী জেলা গাজীপুর। সব সরকারের আমলেই এ জেলায় মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী হয়ে থাকেন। একেএম ফজলুল হক মিলন বার বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে সংসদে প্রতিনিধিত্ব করেছেন। তাকে বিএনপি সরকারের মন্ত্রী সভায় স্থান দিলে তার অভিজ্ঞতা দিয়ে মন্ত্রী পরিষদে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখতে পারবেন।
কালীগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র মো. লুৎফর রহমান বলেন, একেএম ফজলুল হক মিলন শিক্ষাযোগ্যতায় ও রাজনৈতিক দিক থেকে অনেক বিজ্ঞ একজন মানুষ। তাকে বিএনপি সরকারের মন্ত্রী করা হলে দেশ ও জাতীর উন্নতি হবে।
গাজীপুর জেলা সাংবাদিক ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. রফিকুল ইসলাম রফিক বলেন, বিপুল ভোটে বিজয়ী একেএম ফজলুল হক মিলন গাজীপুরে বয়োজেষ্ঠ পরিচ্ছন্ন ও পরিক্ষিত রাজনীতিবিদ। তিনি আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে জেলা বিএনপিকে আগলে রেখেছিলেন। তার মতো একজন সৎ, দক্ষ, পরিক্ষিত ও যোগ্য নেতাকে বিএনপি সরকারের মন্ত্রী করা এখন সময়ের দাবি।
গাজীপুর জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য মো. খায়রুল আহসান মিন্টু বলেন, ছাত্রদলের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি, বিএনপির সাবেক ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক জেলা বিএনপির আহবায়ক একেএম ফজলুল হক মিলন বিপুল ভোটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। গাজীপুর-৫ (কালীগঞ্জ, পুবাইল ও বাড়ীয়া) আসনের মানুষ বিজয়ী এই সাংসদকে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান এর মন্ত্রী পরিষদে দেখতে চাই। একেএম ফজলুল হক মিলন ১৯৯০ এর স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে রাজপথ কাঁপানো নেতার অন্যতম একজন। কেন্দ্রীয় এই নেতা হাসিনা সরকারের আমলে ১১ বার কারাগারে গিয়েছিলেন। ফজলুল হক মিলন কারাগারে থাকা অবস্থায় তার মা মৃত্যুবরণ করেন। কারাগারে থাকা অবস্থায় মিলনের স্ত্রী শম্পা হক জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অনেক মিছিল সভা করে ৪ বার আওয়ামীলীগের আক্রমণে আহত হন। ২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাজীপুরের একমাত্র বিএনপির এমপি ছিলেন ফজলুল হক মিলন। কালীগঞ্জে আওয়ামীলীগ সরকার একাধিকবার প্রতিমন্ত্রী দিয়েছেন। তাই বিএনপির নির্যাতিত কেন্দ্রীয় নেতা একেএম ফজলুল হক মিলনকে বিএনপি সরকারের প্রথম একজনকে মন্ত্রী পরিষদে চায় কালীগঞ্জের মানুষ।