কুড়িগ্রাম-২ অসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী এনসিপির কেন্দ্রীয়নেতা ড.আতিক মুজাহিদের বিজয়ে মনের আনন্দে ৩ শতাধিক মানুষকে গোস্ত খিচুড়ী খাওয়ালেন এনসিপির কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলা সমন্বয়কারী ও শাপলা কলি প্রতীকের কর্মী সবুজ মিয়া। সোমবার দুপুরে ফুলবাড়ী উপজেলার প্রাণকৃষ্ণ গ্রামের নিজ বাড়িতে খাওয়া পর্বের অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়। এই অনুষ্ঠানে যোগদান করেন প্রাণকৃষ্ণ গ্রামের শতশত মানুষসহ এনসিপির কেন্দ্রীয়নেতা ড.আতিক মুজাহিদের নেতাকর্মী ও কর্মী সর্মথকরা। এ প্রসঙ্গে যুবক সবুজ মিয়া জানান, আমরা কুড়িগ্রাম-২ আসনের মানুষরা অবহেলিত। এখান থেকে নির্বাচিত হয়ে সংসদে যাওয়ার মতো যোগ্য মানুষের অভাবে এইএলাকাটি উন্নয়ন বঞ্চিত হয়। জুলাই বিপ্লবের পর ক্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একজন যোগ্য মানুষ ড.আতিক মুজাহিদ বিজয়ী হওয়ায় আমরা এরাকাবাসী স্বস্তি ফিরে পাই। এখন সংসদে ড.আতিক মুজাহিদ কুড়িগ্রাম-২ আসনের এলাকা ফুলবাড়ী, রাজারহাট, কুড়িগ্রাম সদরসহ অবহেলিত কুড়িগ্রামের উন্নয়নের কথা বলতে পারবে। এই আনন্দে আমি নিজের অর্থায়নে এলাকার ৩ শতাধিক মানুষকে ভেটভরে গোস্ত খিচুড়ী খাওয়ানোর আয়োজন করেছি। আমি নিজেকে ভিষণ খুশি মনে করছি।
জানা গেছে, ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ক্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট কুড়িগ্রাম-২ আসনের এলাকা-ফুলবাড়ী উপজেলা,কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা ও রাজারহাট উপজেলার মোট মোট ৬ লাখ ৪ হাজার ৭৩৬ জন ভোটারের মধ্যে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এই আসনটিতে সাবেক এমপিসহ অর্ধডজনেরও বেশি প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন। এখানে ২০৫ টি ভোট কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এই আসনে জামায়াত জোট ১১ দলীয় প্রার্থী এনসিপির ড. আতিক মুজাহিদ ও বিএনপির প্রার্থী আলহাজ্ব সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদের (ধানের শীষ) মধ্যে মুলত লড়াই হয় তীব্র। বিএনপির হেভিওয়েট প্রার্থী কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলহাজ্ব সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদের (ধানের শীষ) প্রতীকের সাথে তীব্র ভোটযুদ্ধে ৯ হাজার ১২১ ভোট বেশি পেয়ে বিজয়ী হন শাপলা কলির ড.আতিক মুজাহিদ। বিজয়ী ড.আতিক মুজাহিদের পোস্টাল ভোটসহ মোটপ্রাপ্ত ভোট হলো ১ লাখ ৮০ হাজার ৫২৬। তার নিকটতম প্রত্দ্বিন্দ্বী বিএনপির আলহাজ্ব সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদের পোস্টাল ভোটসহ মোট প্রাপ্তভোট হলো ১ লাখ ৭১ হাজার ৪০৫। অপরদিকে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আলহাজ্ব সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদের (ধানের শীষ) প্রতীকে পোস্টাল ভোটসহ মোটপ্রাপ্ত ভোট ছিল ১ লাখ ৭১ হাজার ৪০৫। বাকী প্রার্থীর মধ্যে এখানে সাবেক এমপি জাতীয় পার্টির প্রার্থী আলহাজ্ব পনির উদ্দিন আহমেদের ভরাডুবি হয়। এছাড়াও এ আসনের অন্যান্য প্রার্থীরা অল্প সংখ্যক ভোট পাওয়ায় তাদের জামানক বায়াপ্ত হয়।