নাটোরের বড়াইগ্রামের ভাড়াটে মাস্তানদের সাথে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে দলবেঁধে হুমকি-ধমকি, স্বজনদের মারপিট, বাড়িঘর ভাংচুর অভিযোগে পুলিশের হাত আটকের সময় মহিম উদ্দিন মফিজ (৫০) নামে এক যুবককে গণধোলাই দিয়েছে স্থানীয়রা। রোববার রাত ১০ টার দিকে বড়াইগ্রামের বাগডোব ঈদগাহ মাঠ এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। আটক মফিজ উদ্দিন বড়াইগ্রামের খাকসা এলাকা খোরশেদ আলম ছেলে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মফিজের সাথে জমি সেচের গভীর নলকুপ নিয়ে তার বড় ভাই ওমর আলীর বিরোধ ছিল। রোববার সকালে ওই সেচ প্রকল্পের সীমানা নিয়ে মফিজের সাথে তার ভাই ওমর আলীর ও ভাগিনা রুবেলের বাকবিতন্ডা হয়। পরে সন্ধ্যায় মফিজ পাশ্ববর্তী চাটমোহর থেকে ৬-৭টা মোটরসাইকেলে দেশীয় অস্ত্রসহ ১৩ থেকে ১৪ জন ক্যাডার ভাড়া করে আনে। এ সময় ওমর আলীকে না পেয়ে আরেক বড়ভাই নাসির উদ্দিনকে মারপিট করে মফিজ। এরপর প্রায় ১২-১৩ কিলোমিটার দুরে উপজেলার চৌমুহন গ্রামে গিয়ে ভাগিনা রুবেলের বাড়ি ভাংচুর করে। পরে ভাড়াটে ক্যাডারদের ফেরত পাঠিয়ে বাগডোব ঈদগাহ মাঠ এলাকায় এসে আবার হইচই ও ক্ষমতার দাপট দেখানো শুরু করলে স্থানীয়রা তাকে উত্তম-মাধ্যম দিয়ে একটি বাড়িতে আটকে রাখে। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে আটক করে পিক-আপ ভ্যানে তোলার সময় উত্তেজিত জনতা মফিজকে দ্বিতীয় দফা গণধোলাই দেয়। পরে পুলিশ প্রাণান্তকর প্রচেষ্টায় তাকে উদ্ধার করে পুলিশ ভ্যানে উঠিয়ে দ্রুত এলাকা ত্যাগ করেন। নাটোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইফতে খায়ের আলম বলেন, মফিজ উদ্দিনকে বড়াইগ্রামে থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।