ভোলার তজুমদিনে কীর্তনে আসা এক নারীকে বাগানে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। অচেতন অবস্থায় ওই নারীকে উদ্ধার করে প্রথমে তজুমদ্দিন পরে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ওই নারী চাঁদপুর ইউনিয়নের শায়েস্তাাকান্দি গ্রামের ৬ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা। সে স্বামী পরিত্যাক্তা এক সন্তানের জননী। পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রাকিব নামের একজনকে আটক করেছে। প্রত্যক্ষদর্শী শশীগঞ্জ দাসপাড়া গ্রামের তুলসী রানী জানান, সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারী) ভোরে ঘুম থেকে উঠে ঘরের পাশে অচেতন অবস্থায় রক্তাক্ত নারীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়।
ভিকটিম ওই নারী জানান, রবিবার রাতে চাঁদপুর ইউনিয়নের অনিল বাবাজী আশ্রমের কীর্তনে গেলে হোন্ডা চালক রাকিবের সাথে ১ হাজার টাকার সমঝোতা ধোপা বাড়ির পিছনে বাগানে যায়। এসময় শাকিল ও রাসেল নামে আরো দুইজন যোগ দিয়ে রাতভর দলবদ্ধ ভেবে তাকে জোড়পুর্বক ধর্ষণ করেন। অসুস্থ হয়ে পড়লে শশীগঞ্জ দাসপাড়া রেখে যায়। তজুমদ্দিন উপজেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি ও অনিল বাবাজি আশ্রমের পরিচালক অরবিন্দু দে টিটু জানান, সকালে স্বপন কুমার দাসের মাধ্যমে ঘটনা অবগত হয়ে ভিকটিমকে হাসপাতালে নেয়ার ব্যবস্থা করেছি, এবং প্রশাসনকে জানিয়েছি। হাসপাতালের আরএমও ডাঃ শামসুল আলম সোহেল বলেন, রক্তাক্ত অবস্থায় ২৫ বছর বয়সী এক নারীকে হাসপাতালে আনা হয়েছে। তাকে পরীক্ষা নিরীক্ষা করার জন্য ভোলা সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। তজুমদ্দিন থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ আব্দুস সালাম জানান, দলবদ্ধ ধর্ষনের ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রাকিব নামের একজনকে থানায় আনা হয়েছে। জড়িতদের আটকের চেষ্টা চলছে।