তানোরে বিল কুমারী বিলের বুক চিরে বোরো চাষে সবুজের সমারহ

এফএনএস (সাইদ হোসেন সাজু; তানোর, রাজশাহী) :
| আপডেট: ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, ০৮:১৭ পিএম | প্রকাশ: ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, ০৮:১৭ পিএম
তানোরে বিল কুমারী বিলের বুক চিরে বোরো চাষে সবুজের সমারহ

রাজশাহীর তানোরে বিল কুমারী বিলের বুক চিরে বোরো চাষে সবুজের সমারহে অপরুপ সৌন্দর্যের হাতছানি দিচ্ছে প্রকৃতি। এই বিল কুমারী বিল ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে একেক সময় একেক রূপ ধারণ করে। অপরদিকে এই বিলটি বিল পাড়ের মানুষের জন্য সৃষ্টি কর্তার এক মহা আশির্বাদ। বর্ষ মৌসুমে জেলে পরিবার গুলো মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করে এবং বোরো মৌসুমে ধান চাষ করা হয়। 

যতদূর চোখ যায় বোরো ধানের সবুজ পাতা। ধান চাষের জন্য প্রত্যন্ত অঞ্চল হিসেবে ধরা হয় তানোর উপজেলাকে। এ উপজেলায় যেমন ধান চাষ হয় তেমন আলুসহ বিভিন্ন চৈতালি ফসলও উৎপাদন হয় বাম্পার। তবে ধানের চাষ হয় একটু বেশি। বিশেষ করে বোরো ধান চাষ হয় সবচেয়ে বেশি। বোরো চাষের সময়টা শীতকাল হওয়ায় কনকনে শীতে বোরো চাষ করতে কষ্ট পোহাতে হয় চাষিদের। ভোররাত থেকে দুপুর পর্যন্ত লাঙ্গল ও ট্রাক্টর দিয়ে বোরো জমি চাষের জন্যে হাল চাষ করা হয় এবং ভোর থেকে ঠান্ডা পানিতে নেমে বোরো ধানের বীজ তুলে সেই বীজ জমিতে রোপণ করে শ্রমিকরা। ৩-৪ মাস রোপণকৃত বীজের পরিচর্যা করে বড় করে তোলা হয় ধান। উপজেলা ঘুরে দেখা গেছে, কৃষকের কষ্টে অর্জিত বোরো ধানের সবুজ পাতায় ছেয়ে গেছে প্রতিটি মাঠ।  আর মাসখানেকের মধ্যে পুরোদমে শুরু হবে ধানের শীষ বের হওয়া। তানোর পৌর এলাকার গুবির পাড়া গ্রামের কৃষক হাবিবুর রহমান জানান, তিনি এবার ২০ বিঘা জমিতে বোরো ধান চাষ করবেন। ইতোমধ্যে বিলকুমারী বিলের জমিতে তার ৭ বিঘা জমিতে বোরো রোপণ সম্পূর্ণ হয়েছে। অল্প কিছু দিনের মধ্যে ধানের শীষ বের হওয়া শুরু করবে। এবার প্রতিটি মাঠে বোরো ধানের গাছ ভালো হয়েছে। আশা করা যাচ্ছে ফলনও ভালো হবে। তানোর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল্লাহ আহম্মেদ জানান, এবারে বোরো চাষের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১৪ হাজার ১৩০ হেক্টর। আশা করা যাচ্ছে, কোনো দুর্যোগ না হলে এবারও ফলন ভালো হবে ও ভালো দামও পাবে কৃষক। তিনি বলেন, বিল কুমারী বিল এই এলাকার মানুষের জন্য সৃষ্টি কর্তার এক মহা আশির্বাদ,, তিনি বলেন এই বিলে মাছ ও ধান দুই ধরনেরই খাদ্য পাওয়া যায়।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে