আলমগীর হোসেন সিটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও আলমগীর হোসেন সিটি কল্যাণ সমিতির সভাপতি মো: শফিকুল আলম শিপলু বলেছেন, সাবেক সংসদ সদস্য আলমগীর হোসেন গাইটালের বাসিন্দা হলেও তিনি কিশোরগঞ্জের আপামর মানুষের হৃদয়ের মণিকোঠায় ঠাঁই করে নিয়েছিলেন। বিশেষ করে পৌর শহরের উন্নয়নে বলিষ্ট অবদান রেখেছিলেন। বাবার অসমাপ্ত কাজগুলো সমাপ্ত করতে এবং বাবার স্বপ্ন বাস্তবায়নে আপনাদের খাদেম হয়ে কাজ করে যেতে চাই। বাবার একটি ইচ্ছে ছিলো জনগণের ভোটে জনপ্রতিনিধি হওয়ার কিন্ত ভাগ্যর পরিহাস অকালেই না ফেরার দেশে চলে যান। সেই বাবার সন্তান হিসেবে আমিও সমাজ উন্নয়নে কাজ করে যেতে চাই। আমি যে স্থানটিতে দাঁড়িয়ে কথা বলছি সেই স্থানে একটি জলাভূমি ছিলো, আমিই আমার পিতার নামে আলমগীর সিটি ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পাশাপাশি আবাসন প্রকল্প গড়ে তুলি। মায়ের নামে মসজিদ ও আরও কয়েকটি গুরুত্বপুর্ণ অবকাঠামো নির্মাণ করেছি। আর আজকে সেই স্থানে আপনাদের নিয়ে বসতে পেরে সত্যি আমি অভিভূত। এই সিটির বাসিন্দারা হলো আমার পরিবার। এই পরিবারের সদস্যরা যদি সম্মতি দেন তাহলে আমি আসন্ন কিশোরগঞ্জ পৌরসভার নির্বাচনে অংশ নেব। আমি আগেও ইচ্ছে প্রকাশ করেছিলাম কিন্ত করতে পারিনি এবারে আপনাদের অভয়ে ইনশাআল্লাহ করবো তবে বিদ্রোহী হয়ে নয় স্বতন্ত্র হয়ে,মানুষের হয়ে। আলমগীর হোসেন সিটি কল্যাণ সমিতির আয়োজনে আসন্ন কিশোরগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচন উপলক্ষে আলোচনা, খতমে কুরআন, দোয়া ও ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যকালে তিনি এসব কথা বলেন। আলমগীর হোসেন সিটি কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ গোলামুর রহমান হায়দারের পরিচালনায় কিশোরগঞ্জের সাবেক সংসদ সদস্য প্রয়াত জননেতা আলমগীর হোসেন ও জননেতা নাসির উদ্দিন আহমেদ শাহজাহানের রুহের মাগফেরাত কামনা করে ও সবার সুস্থতা চেয়ে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে মোনাজাত পরিচালনা করেন মসজিদে রাবেয়ার খতিব হাফেজ মাও জামিল আহমেদ। এ সময় আলমগীর হোসেন সিটি কল্যাণ সমিতির সদস্যগণ, পৌর সভার বিভিন্ন পর্যায়ের শ্রেণি পেশার ব্যক্তিবর্গ, গন্যমাণ্য ব্যক্তিবর্গ, মাদরাসার এতিম, কুরআনের হাফেজ ও মুসল্লিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন ।