উইন্ডিজকে বিদায় করে সেমির পথে ভারত

এফএনএস স্পোর্টস | প্রকাশ: ২ মার্চ, ২০২৬, ০৮:১১ এএম
উইন্ডিজকে বিদায় করে সেমির পথে ভারত

বাঁচা-মরার ম্যাচে যে কোনো লক্ষ্যই কঠিন। আর যদি সেটা হয় দুইশ ছুঁইছুঁই, তবে লক্ষ্য তাড়া কর‍তে নামার আগেই নাগালের বাইরে চলে যায় ম্যাচ। কিন্তু দলটা যখন ভারত, তখন চাপটা প্রতিপক্ষের ওপরই। লক্ষ্য তাড়ায় বরাবরই দাপুটে তারা। সেটি আরেকবার প্রমাণ হলো সঞ্জু স্যামসনের ব্যাটে। কঠিন ম্যাচকে তার ব্যাটেই সহজ করে ৫ উইকেটে জিতে সেমিফাইনালে পা রাখলো বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। সঞ্জু স্যামসনের সেঞ্চুরি করার সুযোগ থাকলেও সেটি হয়নি। শেষ পর্যন্ত অপরাজিত ছিলেন ৯৭ রানে। ইনিংসটি সাজান তিনি ১২ চার ও ৪ ছক্কায়। আগামী ৫ মার্চ দ্বিতীয় সেমিফাইনালে মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হবে ভারত। কলকাতায় লক্ষ্য ডিফেন্ড করতে নামা ওয়েস্ট ইন্ডিজের বোলাররা শুরুটা ভালোই করেছিল। পাওয়ার প্লেতে ২ উইকেট তুলে নেয় ভারতের। ৬ ওভার শেষে ৫৩ রান সংগ্রহ করে স্বাগতিকরা। অভিষেক শর্মা ও ইশান কিষান দুজনেই আউট হন ১০ রান করে। আকিল ও হোল্ডার নেন উইকেট দুটি। অন্য ওপেনার সঞ্জু স্যামসনের সঙ্গে অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবের জুটিতে যোগ হয় ৫৮ রান। এই জুটিতে ফিফটির দেখা পান সঞ্জু। তবে ১৮ রান করে সূর্য আউট হলে ভাঙে জুটি। উইকেট নেন শামার জোসেফ। ৯৯ রানে ৩ উইকেট হারায় ভারত। সঞ্জু স্যামসন দাঁড়িয়ে থাকেন দলকে লক্ষ্যে পৌঁছাতে। আরও একটি জুটি গড়েন। এবার তিলক ভার্মাকে নিয়ে যোগ করেন ৪২ রান। সেই জুটি ভেঙে আরও একটি উইকেট নেন হোল্ডার। ১৪১ রানে ৪ উইকেটের পতন হয়। ২৭ রান করে ফেরেন তিলক। হার্দিক পান্ডিয়া নেমে ৩৮ রানের জুটি গড়ে সঙ্গ দেন সঞ্জুকে। ১৭৯ রানে পঞ্চম উইকেটের পতন হয় শামার জোসেফের বলে ১৮ রান করে হার্দিক বিদায় নিলে। জয় থেকে ভারত তখন ১৮ রান দূরে। এই রান করতে কোনো কষ্ট হয়নি স্যামসন ও দুবের। ১২ চার ও ৪ ছক্কায় ৫০ বলে ৯৭ রানে অপরাজিত থেকে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন স্যামসন। দুবে অপরাজিত ছিলেন ৮ রানে। ৫ উইকেটের জয়ে সেমিফাইনালে পা রাখলো স্বাগতিকরা। ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে দুটি উইকেট পেয়েছেন শামার জোসেফ ও জেসন হোল্ডার। একটি উইকেট গেছে আকিল হোসেনের ঝুলিতে। ২০ ওভার ব্যাটিং করে উইন্ডিজের বোর্ডে জমা হয় ৪ উইকেটে ১৯৫ রান। ভারতের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ১৯৬ রানের। অবিচ্ছিন্ন ৭৬ রানের জুটি গড়েন রভম্যান পাওয়েল ও জেসন হোল্ডার। ১৯ বলে ৩৪ করেন পাওয়েল আর ২২ বলে ৩৭ আসে হোল্ডারের ব্যাটে। দুজনেই ছিলেন অপরাজিত। দুজনে মিলে সমান ৫টি চার ও ছক্কা হাঁকান। শেষ পর্যন্ত বোর্ডে জমা হয় ১৯৫ রান। ভারতের হয়ে দুই উইকেট পেয়েছেন বুমরাহ। বাকি দুটি বরুণ ও হার্দিক।