জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল পৌর এলাকার এক গৃহবধূকে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে এক যুবকের লিঙ্গ কর্তনের ঘটনা ঘটেছে। আত্মরক্ষার্থে এ পদক্ষেপ নিয়েছেন বলে দাবি ভুক্তভোগী ওই নারী। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। রোববার (১ মার্চ) সন্ধ্যা আনুমানিক সাড়ে ৭টার দিকে ক্ষেতলাল পৌরসভার মুন্দাইল মহল্লার গৃহবধূর নিজ বাড়িতে একা পেয়ে ওই মহল্লার আমজাদ হোসেনের ছেলে নজরুল ইসলাম (৩৭) ঘরে ঢ়ুকে জোরপূর্বক ধর্ষনের চেষ্টা করলে ওই গৃহবধূ সম্ভ্রম রক্ষার্থে তার পুরুষাঙ্গ কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত নজরুল ইসলাম (নজু) ও ভুক্তভোগী গৃহবধূর একই মহল্লার বাসিন্দা। ঘটনার সময় ওই গৃহবধূ বাড়িতে একা ছিলেন ওই সুযোগে লম্পট নজরুল ইসলাম জোরপূর্বক গৃহবধূর ঘরে প্রবেশ করে তাকে পেছন থেকে জাপটে ধরেন এবং কুপ্রস্তাব দেন। ওই গৃহবধূ রাজি না হলে একপর্যায়ে তাদের মধ্যে ধস্তাধস্তির সৃষ্টি হয় এবং অভিযুক্ত নজরুল তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করেন। এ সময় নিজের সম্ভ্রম রক্ষার্থে হাতের কাছে থাকা ব্লেড দিয়ে আঘাত করলে নজরুলের গোপনাঙ্গ কেটে যায় এবং গুরুতর আহত হন। পরে ওই গৃহবধূর আত্মচিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে এলে তিনি রক্তাক্ত অবস্থায় ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। সোমবার (২ মার্চ) সকালে ভুক্তভোগী গৃহবধূ বাদী হয়ে ক্ষেতলাল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। মামলার এজাহারে তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন। ভুক্তভোগীর স্বামী মুকুল হোসেন জানান, অভিযুক্ত নজু পূর্বেও তার স্ত্রীকে উত্ত্যক্ত করতেন। আত্ম সম্মানের ভয়ে কিছুই বলিনি। অভিযুক্ত নজরুল ইসলামের সঙ্গে মুঠ ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। ক্ষেতলাল থানার অফিসার ইনচার্জ নূরে আলম সিদ্দিকী বলেন, লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে এবং অভিযুক্তকে গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।