গমের বাম্পার ফলনে খুশি বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তারা

কলাপাড়ায় লবণ সহিষ্ণু জাতের গম উৎপাদনে গবেষণা শুরু

এফএনএস (মিলন কর্মকার রাজু; কলাপাড়া, পটুয়াখালী) : | প্রকাশ: ১৩ মার্চ, ২০২৬, ১১:৪৮ পিএম
কলাপাড়ায় লবণ সহিষ্ণু জাতের গম উৎপাদনে গবেষণা শুরু

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় লবনাক্ত ও পতিত জমিতে  লবণ সহিষ্ণু জাতের গম উৎপাদনের লক্ষ্যে নতুন জাত উন্নয়নে গবেষণা কার্যক্রম শুরু হয়েছে।  বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউটের উদ্যোগে কলাপাড়ার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের পতিত জমিতে এবার গম চাষ শুরু হয়েছে। প্রথমবার চাষাবাদ করেই কৃষকরা গমের বাম্পার ফলন পেয়েছে। 

শুক্রবার বিকালে এ গম ক্ষেত পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ গম ও ভূট্রা গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. আবদুল্লাহ আল মামুন। ক্ষেত পরিদর্শন করে তিনি বলেন,  কলাপাড়ায় লবনাক্ত ও পতিত জমিতে গম চাষ করে বাম্পার ফলন পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। লবনাক্ত এলাকায় লবণ সহিষ্ণু গমের জাত উন্নয়নের লক্ষে প্রাথমিক পর্যায়ে ইডগজও এর গবেষণা ল্যাবে হাইড্রো পোনিক পদ্ধতির মাধ্যমে স্ক্রেনিং বাছাই করা হয়।

তিনি বলেন, কলাপাড়ায় গমের আট ধরনের লবন সহিষ্ণু জাতের গম বীজ চাষ করা হয়েছে।  এখান থেকে যে গমের জাত ভালো উৎপাদন হবে সে জাত উপকূলীয় এলাকায় চাষাবাদ করা হবে। 

গম চাষ করে সফল কৃষক গোলাম সরোয়ার বলেন, লবনাক্ততার কারণে  বছরের ছয় মাস জমি অনাবাদি থাকে। বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউটের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তাদের পরামর্শে ১০ বিঘা জমিতে গম চাষ করে ভালো ফলন পেয়েছেন। প্রথমবারের মতো গম চাষ করে সফল হওয়ায় তার ক্ষেত দেখতে বিভিন্ন এলাকার কৃষকরা আসছে। 

বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউটের উর্ধতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মনোয়ার হোসেন বলেন, দক্ষিনাঞ্চলে আমন ধান সংগ্রহের পর অধিকাংশ জমি পতিত থাকে। লবণ সহিষ্ণু গম চাষাবাদ করে এসব জমি চাষাবাদের আওতায় আনাই তাদের প্রধান লক্ষ্য।

কলাপাড়ায় প্রথমবারের মতো উৎপাদিত এ গম ক্ষেত পরিদর্শন শেষে এলাকার কৃষকদের নিয়ে মাঠ মূল্যায়ন সভা অনুষ্ঠিত হয়।  এতে এলাকার গম চাষীসহ বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউটের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে