ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ ফয়জুল করীম শনিবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ইমাম ও মুয়াজ্জিন, খাদেম, পুরোহিত, সেবায়েত, বিহার অধ্যক্ষদের সম্মানি কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বললেন, আকিদা এবং কোরআন-সুন্নাহর অনুকূলে যতক্ষণ থাকবে, ততক্ষণ কোনো অবস্থাতেই তাকে বরখাস্ত করা যাবে না। সম্মানী ভাতা যেন নিয়ন্ত্রণের কোনো মাধ্যম না হয়। সরকার যেন ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের নিয়ন্ত্রণ না করে; বরং এই ভাতা সম্মানী ভাতা হিসেবেই থাকবে। যদি ভাতাকে নিয়ন্ত্রণের মাধ্যম করা হয়, তাহলে কিন্তু তা হিতে বিপরীত হবে।
তিনি বলেন, কোরআন ও হাদিসের খেলাফ করে যতক্ষণ তারা কথা না বলবেন, ততক্ষণ পর্যন্ত যেন তাদের বাধা না দেয়া হয়, এটাই আমার একটি প্রস্তাব।
মুফতি সৈয়দ ফয়জুল করীম বলেন, সভাপতিকে সালাম না দেয়ার কারণে ইমামকে বিদায় দিয়ে দেয়া হয় আজকে। সভাপতিকে সম্মান দেয়ার কারণে তাকে বরখাস্ত করা হয়। হয়তো বাজারটা ঠিকমতো সেক্রেটারির বাড়ি পৌঁছে না দেয়ার কারণে মুয়াজ্জিনকে বরখাস্ত করে দেয়া হয়। আমি আজকে আমার প্রধানমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ করব-একটি নির্দিষ্ট নীতিমালা থাকা উচিত, কোন কারণে তাকে বরখাস্ত করা হবে।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীকে মাথা নেড়ে তার এই প্রস্তাবে সায় দিতে দেখা যায়। জবাবে ফয়জুল করীম বলেন, আলহামদুলিল্লাহ, শুকরিয়া জ্ঞাপন করছি।