লালমনিরহাট পবিত্র শবে কদর, ঈদুল ফিতর ও মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী স্থলবন্দরে টানা ১১ দিন সব ধরনের বাণিজ্যিক কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সকালে বুড়িমারী সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শবে কদর, ঈদুল ফিতর এবং স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বন্দর ছুটির বিষয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতাদের মধ্যে একটি জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। উভয় দেশের ব্যবসায়ীদের পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে এই ছুটির সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৭ মার্চ মঙ্গলবার শবে কদরের ছুটি শুরু হচ্ছে। মাঝে ১৮ মার্চ অতিরিক্ত ছুটি যুক্ত করা হয়েছে এবং ১৯ মার্চ থেকে শুরু হবে ঈদুল ফিতরের ছুটি। এই ছুটির রেশ কাটতে না কাটতেই ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসের ছুটি পড়বে। ফলে সব মিলিয়ে ১৭ মার্চ থেকে ২৭ মার্চ পর্যন্ত টানা ১১ দিন আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। আগামী ২৮ মার্চ থেকে বন্দরে পুনরায় স্বাভাবিক বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু হবে। বুড়িমারী সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ফারুক হোসেন জানান, ঈদ ও অন্যান্য সরকারি ছুটিকে সামনে রেখে ব্যবসায়ীদের সাথে আলোচনা করেই এই দীর্ঘ ছুটির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বুড়িমারী স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের সহকারী পরিচালক (ট্রাফিক) মাহমুদুল হাসান বলেন, "ব্যবসায়ীরা ১১ দিন বাণিজ্যিক কার্যক্রম বন্ধ রাখার বিষয়ে আমাদের লিখিতভাবে জানিয়েছেন। ব্যবসায়ীরা কাজ না করলে স্বাভাবিকভাবেই বন্দরের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকে বুড়িমারী স্থল শুল্ক স্টেশনের উপ-কমিশনার মুহাম্মদ মহি উদ্দিন জানান, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশন ছুটির বিষয়টি লিখিতভাবে নিশ্চিত করেছে। তবে সরকারি ছুটির দিনগুলো বাদে কাস্টমসের অভ্যন্তরীণ দাপ্তরিক কাজ সীমিত পরিসরে চালু থাকবে। বাণিজ্যিক কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও বুড়িমারী স্থলবন্দরের ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে পাসপোর্টধারী যাত্রীদের পারাপার সম্পূর্ণ স্বাভাবিক থাকবে। বুড়িমারী স্থলবন্দর পুলিশ অভিবাসন চৌকির (ইমিগ্রেশন) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) সাইফুর রহমান জানান, পণ্য পরিবহন বন্ধ থাকলেও বৈধ যাত্রীরা এই সময়ে নিয়মিত যাতায়াত করতে পারবেন।