গাজীপুরের কালিয়াকৈর সড়ক পরিবহনের নেতৃবৃন্দের অজান্তেই চলছে চাঁদাবাজি। যার প্রভাবে যাত্রীদের গোনতে হচ্ছে দিগুন ভাড়া।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের চন্দ্রা এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে দুবাই সিএনজি পাম্প সংলগ্ন এলাকা দিয়ে সার্ভিস লাইনে যে সকল বাস ঢোকে উত্তর বঙ্গের যাত্রী পরিবহন করছে ওই বাসগুলো থেকে ৫০০ টাকা করে চাঁদা আদায় করা হচ্ছে। যার ফলে পরিবহন সংশ্লিষ্টরা যাত্রীদের কাছ থেকে বর্ধিত ভাড়া আদায় করছে।
অপরদিকে সিএনজি চালিত অটো রিক্সা গুলো চন্দ্রা থেকে শাখা রোডে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যাত্রী পরিবহন করছে এই সিএনজি চালিত অটো রিক্সা গুলোতে যাত্রী উঠালেই দিতে হয় ২০০ টাকা। প্রতি গাড়ি থেকে ২০০ টাকা চাঁদা আদায় করার কারণে অটোরিক্সতেও যাত্রী ভাড়া বৃদ্ধি পেয়েছে।
চাঁদা আদায়কারী এক যুবকের সাথে কথা বলে জানাজায়,তারা গাড়ি থেকে টাকা আদায় করে শুধু ডিউটি পালন করতে। এই টাকা দিতে হয় বড় ভাইদের। সেখান থেকে পুলিশ ম্যানেজ, কিছু ভাই ব্রাদার সহ অনেক জনকেই দিতে হয়।
এ বিষয় জানতে চাইলে গাজীপুর জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান জসীম উদ্দিন বলেন, পরিবহন সেক্টরে সকল প্রকার চাঁদা আদায় বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এই ঘোষণা অমান্য করে কেউ যদি চাঁদাদাবি করে আমরা তাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করতে প্রস্তুত রয়েছি। যাত্রী ও পরিবহন সংশ্লিষ্টদের সুবিধার জন্য আমরা নিজেদের উদ্যোগে ৩০ জন কমিউনিটি পুলিশ নিয়োজিত রেখেছি।
নাওজোড় হাইওয়ে থানার ওসি সাওগাত হোসেন জানান চাদা আদায়ের কোন সংবাদ আমরা পাইনি। ঈদে ঘরমুখো যাত্রীদের ভোগান্তি লাঘবে ৬শ পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
আব্দুল আলীম অভি
কালিয়াকৈর
০১৭১২৮৮৬২২৯