কেশবপুরে মসজিদে ফ্যানের বাতাস খাওয়া নিয়ে সংঘর্ষে ৮ জন জখম হয়েছে। এদের মধ্যে আশঙ্কা জনক অবস্থায় ১ জনকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। বাকিরা কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে। স্থানীয় এমপি অধ্যাপক মোক্তার আলী ও কেশবপুর থানা পুলিশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীনদের খোঁজ খবর নিয়েছেন। পুলিশ ও আহতদের পারিবারিক সুত্রে জানা গেছে, সকাল ১১ টার দিকে উপজেলার ঝিকরা উত্তর পাড়ার নির্মাণাধীন একটি মসজিদে কয়েকজন ফ্যান ছেড়ে শুয়ে থাকে, এ নিয়ে মসজিদের ইমাম ও স্থানীয় ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান তাদের কে ফ্যান বন্ধ করে দিতে বললে অবস্থান রতদের সাথে কথা কাটাকাটি শুরু হয় এবং ধাক্কা ধাক্কীর ঘটনা ঘটে। জোহরের নামাজের সময় উপস্থিত মুসল্লীদের উদ্দেশ্য ইমাম সাহেব এ তথ্য জানালে দু পক্ষের ভিতর উত্তেজনা ও সংঘর্ষে রুপ নেয়। এ সময় হাবিবিল্যা (২২),আবদুল আহাদ(৫০),আজিবর রহমান (৩০),শাহিন (৩৫),আনিসুর (৫৫),বায়োজিদ(১৮),আাজাহারুল (৩০) ও ওজিয়সর (৫৫) রক্তাক্ত জখম হয়। এদের মধ্যে আশঙ্কা জনক অবস্থায় শ্রীপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুল আহাদ(৫০)কে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ সুখদেব রায় সাংবাদিক দের বলেন খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও হাসপাতালে ভর্তি রোগিদের খোঁজ খবর নিয়েছে। এ বিষয়ে মামলার প্রস্তুতি চলছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।