পুঠিয়ায় ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়কে ট্রাফিক পুলিশের সঙ্গে ড্রামট্রাক মালিকদের সমঝোতা থাকায়। সড়কে দিন-রাত বালুবাহি ট্রাক চলাচল করছে। আর এতে করে প্রতিনিয়ম সড়ক দুর্ঘটনায় মানুষ মারা যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। রাজশাহীর পদ্ম নদী হতে বালু ওঠায়ে। তা কাটাখালি পৌরসভা এলাকার শ্যামপুর হতে প্রতিদিন শতশত বালুর ড্রামট্রাক ভর্তি করে। রাজশাহী জেলাসহ আশপাশের জেলায় বালু বিক্রি করা হয়ে থাকে। বানেশ্বর বাজারের সুমন আলি বলেন, দিন-রাত ৫০ হতে ৬০ টন বালু ভর্তি করে সড়কে তিব্র গতিতে যাতায়াত করতে দেখা যায়। উপজেলার ২৮ কিমি মহাসড়কে দুই/একদিন পরপরই বালুবাহি ড্রামট্রাক দ্বারায় সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে মানুষ। ট্রাকগুলো মহাসড়ক হতে গ্রামীণ রাস্তায় গিয়ে উপজেলার কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে সড়কগুলোর ব্যাপক ক্ষতি করছে। আবার বেশিরভাগ বালুবাহি ড্রামট্রাকের আবার সঠিক কোনো প্লেট নম্বার নেই। কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে জরিমানা কিংবা ভ্রাম্যমাণ করা হচ্ছে না। বানেশ্বর ট্রাফিক মোড়ের ছিদ্দিকুর রহমান বলেন, ট্রাফিক পুলিশ যানবাহন নিয়ন্ত্রণ করার চেয়ে বেশি মনোযোগী হয়ে থাকেন। যানবাহন হতে মাসোহারার টাকা আদায় করা নিয়ে ব্যস্ত হতে দেখা যায়। এই সড়কে বেশিরভাগ যানবাহনের সঙ্গে তাদের টাকার চুক্তি করার রয়েছে। চুক্তি না থাকা যানবাহনগুলোর বিরুদ্ধে প্রতিনিয়ম মামলা দেওয়া হয়। এ ব্যাপারে বানেশ্বর ট্রাফিক ফাঁড়ির ইনচার্জ টি আই আশরাফুজ্জামান বলেন, ড্রামট্রাক চলাচলের বন্ধের ব্যাপারে জেলা হতে কোনো নির্দেশনা নেই। আমারা প্রতিটি ট্রাকের কাগজপত্র নিয়মিত যাচাই-বাছাই করছি।