বংকিরা গ্রামে ৩২ বছর পর সড়কের নির্মাণ হচ্ছে

এফএনএস (টিপু সুলতান; কালীগঞ্জ, ঝিনাইদহ) : | প্রকাশ: ১৮ মার্চ, ২০২৬, ০৩:৪৯ পিএম
বংকিরা গ্রামে ৩২ বছর পর সড়কের নির্মাণ হচ্ছে

দীর্ঘ ৩২ বছর পর অবশেষে বংকিরা গ্রামের সড়ক নির্মানের কাচ শুরু হয়েছে। ফলে গ্রামবাসি চলাচলের দূভোর্গ থেখে রক্ষা পাবে এমন টা আশা করছেন।ঝিনাইদহ সদর উপজেলার সাধুহাটী ইউনিয়ন পরিষদের ভবন থেকে বংকিরা স্কুল মোড় হয়ে আসাননগর সড়কটির নির্মাণ কাজ অবশেষে শুরু হয়েছে। দীর্ঘ ৩২ বছর পর সড়কটির মাঝখানের প্রায় ৭০০ মিটার নতুন করে নির্মাণ হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে। এ সড়ক দিয়ে চলাচল একবাইে অনুপযোগি হয়ে পড়েছিল বছরের পর বছর।

সাধুহাটী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী নাজির উদ্দীন জানান,১৯৯৪ সালে ঝিনাইদহের উন্নয়নের কারিগর হিসেবে পরিচিত প্রয়াত মসিউর রহমানের উদ্যোগে রাস্তাটির ইটের সলিং কাজ শুরু হয়। সে সময় পর্যায়ক্রমে ১৬ লাখ ও পরে ১৯ লাখ টাকার বরাদ্দ এনে সড়কটির উন্নয়ন করা হয়। তবে পরবর্তীতে রাস্তাটির একটি অংশ দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় তা ভেঙে চুরে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছিল। যে কারনে এলাকাবাসীকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। এ এলাকার বিভিন্ন গ্রামের মানুষ তাদের প্রয়োজনীয় কাজের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার জীবনা গ্রাম হয়ে দশমাইল বাজার ঘুরে ঝিনাইদহে যাতায়াত করতেন, যা সময় লাগতো বেশি ও গাড়ি ভাড়া বেশি লাগতো। আসাননগর গ্রামের বাসিন্দা চাকরিজীবি সিরাজুল ইসলাম বলেন, দুই পাশের সড়ক পিচঢালা হলেও মাঝখানের এই অংশটি দীর্ঘবছর অবহেলিত হয়ে পড়েছিল। এতে করে শিক্ষার্থী, কৃষক ও সাধারণ মানুষ সবচেয়ে বেশি ভোগান্তির শিকার হন। এদিকে অন্তর্র্বতী সরকারের সময়ে ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি সাংবাদিক আসিফ কাজল এলজিইডির ঝিনাইদহ ও হেড অফিসে একাধিকবার তদবির করে অবশেষে সড়কটির নির্মাণকাজ বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখেন। ১৯৯৪ সালে তিনি এই সড়কের প্রাথমিক উন্নয়ন কাজ শুরু করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করেছিলেন।এলাকার ইউপি সদস্য শহিদুল ইসলাম বলেন, সড়কটির নির্মান কাজ শেষ হলে ঝিনাইদহ শহরের সঙ্গে যোগাযোগ সহজ হবে এবং অর্থনৈতিক কার্যক্রমে গতি আসবে।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে