চাটমোহরের লেখক ও সাংবাদিক কলেজ শিক্ষক ইকবাল কবীর রঞ্জু ঈদের আগের দিন শুক্রবার স্থানীয় ফিলিং স্টেশনে গিয়েছিলেন তার মোটরসাইকেলে পেট্টোল নিতে। বিকেল ৪টা থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে করতে রাত ১১টায় মিললো ১ শত টাকার পেট্টোল। ক্ষোভে বললেন,ইরান যুদ্ধের অজুহাতে এই অবস্থা। নিরুপায় হয়ে ঈদের দিন ও ঈদের পরের দিন তিনি বাইসাইকেল নিয়ে বের হয়েছেন। শুধু ইকবাল কবীর রঞ্জুই নন,এ রকম শত শত ব্যক্তি জ্বালানি তেল পেতে হিমশিম খাচ্ছে। ছুটছেন বিভিন্ন স্থানে। তারপরও মিলছেনা পেট্টোল কিংবা অকটেন। ফলশ্রুতিতে মোটরসাইকেল চালানো বন্ধ রাখতে হচ্ছে। একই অবস্থা ডিজেলের ক্ষেত্রে ট্রলি,ট্রাক্টর চালানোর জন্য কিংবা সেচ কাজের জন্য পর্যাপ্ত ডিজেল মিলছেনা। দীর্ঘ লাইনে ঘন্টার পর ঘন্টা দাঁড়িয়ে থেকেও পাওয়া যাচ্ছেনা ডিজেল। পাবনার চাটমোহরে জ্বালানি তেলের জন্য হাহাকার পড়ে গেছে। অধিক দামেও মিলছেনা পেট্টোল,অকটেন ও ডিজেল। এই সুযোগে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী জ্বালানি তেল মজুদ করে দ্বিগুণ দামে বিক্রি করছেন। খুচরা বিক্রেতাদের দোকানে পাওয়া যাচ্ছেনা পেট্টোল,ডিজেল ও অকটেন। ফলে অনেকেই মোটরসাইকেল চালানো বন্ধ রেখেছে। চাটমোহরের একমাত্র ফিলিং স্টেশন ‘সালসাবিল ফিলিং স্টেশন’ এ জ্বালানি তেল আসার সাথে সাথে শেষ হয়ে যাচ্ছে। শত শত মোটরসাইকেল চালক পেট্টোল কিংবা অকটেনের জন্য ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করছেন। দীর্ঘ লাইন পড়ে গেছে পাম্পে। তারপরও একজন মোটরসাইকেল চালক একশত টাকার বেশি পেট্টোল পাচ্ছেন না। পাম্প কর্তৃপক্ষ বলছে,চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানি পাওয়া যাচ্ছেনা। ফলে রেশনিং পদ্ধতিতে আগে আসলে আগে পাবেন ভিত্তিতে পেট্টোল,অকটেন ও ডিজেল দেওয়া হচ্ছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে,চাটমোহরের দু’একটি স্থানে গোপনে দ্বিগুণ পেট্টোল কিংবা অকটেন বিক্রি করা হচ্ছে। ভুক্তভোগিরা এ থেকে উত্তোরণ দাবি করেছেন।