দিঘলিয়ায় নিরব চাঁদাবাজি ও চুরির নামে দস্যুতা। শান্তিপ্রিয় মানুষ অর্থনৈতিক চাপে দিশেহারা। ঘরবাড়ি বিক্রি করে এলাকা ছাড়ার অপেক্ষায় প্রহর গুনছেন অনেকে। এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, দিঘলিয়া উপজেলার ফরমাইশখানা গ্রাম এক সময় দিঘলিয়া উপজেলার মধ্যে মডেল গ্রাম ছিল। সে কারণে এ এলাকায় নতুন নতুন বসতি স্থাপন হয়েছে। গড়ে উঠেছে নতুন নতুন জনপদ। এ জনপদে জনবল বেড়ে ওঠার সাথে সাথে শুরু হয়েছে নানা নেশাদ্রব্যের আমদানি ও অবাধে কেনাবেচা। পাশাপাশি শুরু হয়েছে নিরব চাঁদাবাজী ও চুরির বেশে দস্যুতা। ফরমাইশখানা বিলপাড়া, পূর্বপাড়া বর্তমানে এখন এদের দখলে। যা এলাকায় ৭ এ ৭ এ ৭৭ এলাকা পর্যন্ত বিস্তার ঘটিয়েছে। অর্থাৎ দিঘলিয়া ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ড এবং সেনহাটি ইউনিয়নের ৭। বর্তমানে সেনহাটি ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ড পর্যন্ত বিস্তার। অতি সম্প্রতি ফরমাইশখানা গ্রাম থেকে হেমায়েতের জামাই পুলিশ সদস্যের বাড়ি, সেনহাটি আলহাজ্ব সারোয়ার খান ডিগ্রী কলেজের শিক্ষক অধ্যাপক হাবিবুর রহমানের নির্মাণাধীন বাড়ি, মোঃ আজিজের বাড়ি, আকিজ মাদ্রাসা ও বাটা মনিরের বাড়ি থেকে মোটর চুরি করে নিয়ে গেছে। টিউবওয়েলের মাথা, বিদ্যুতের সার্ভিস তার কোনো কিছুই আজ নিরাপদ নয়। পাশাপাশি চলছে নিরব চাঁদাবাজী। এ এলাকা থেকে শীর্ষ সশস্ত্র সন্ত্রাসী কনডম রিপন গ্রেফতার হলেও তার সহযোগীরা এবং পৃষ্ঠপোষকরা রয়েছে ধরা ছোয়ার বাইরে। এদের নানা অত্যাচার নির্যাতনের ব্যাপারে পুলিশকে জানালেও পুলিশ অজ্ঞাত সীমাবদ্ধতার কারণে নিরব এমনটাই জানিয়েছেন এলাকার শান্তিপ্রিয় লোকজন। এর আগেও অনেক বাড়ি, সামাজিক প্রতিষ্ঠানও একাধিকবার চুরি হয়েছে। দিঘলিয়া থানার পুলিশ অপরাধীদের দিকে নজর না দিয়ে সাধারণ মানুষকে মানসিক নির্যাতন করার অভিযোগ করেছে অনেকে।