ভারতে পাচার হওয়া ৩৩ বাংলাদেশিকে বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে ফেরত পাঠিয়েছে ভারতীয় পুলিশ। এদের মধ্যে নারী-শিশু রয়েছে ৮ জন ও ২৫ জন পুরুষ। রবিবার (২২ মার্চ) সন্ধ্যায় ভারতের পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ তাদের বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। ফেরত আসারা যশোর,খুলনা, নড়াইল রংপুর, ঠাকুরগাঁও, সাতক্ষীরা ও মেহেরপুর জেলার বাসিন্দা।
বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোর্তজা জানান, ভালো কাজের আশায় তিন বছর আগে তারা দালালের মাধ্যমে অবৈধভাবে ভারতের কলকাতায় গিয়েছিল। সেখানে পুলিশের হাতে আটক হয় তারা। এরপর অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে সে দেশের আদালত তাদের দুই বছরের সাজা দিয়ে কারাগারে পাঠায়। কারাভোগ শেষে ভারতের একটি মানবাধিকার সংস্থা তাদের দায়িত্ব নিয়ে শেল্টারহোমে রাখে। পরে উভয় দেশের দূতাবাসের সহযোগিতায় এবং ভারত সরকারের বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে রবিবার সন্ধ্যায় তারা দেশে ফিরে।
ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে তাদের বেনাপোল পোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়। সেখান থেকে জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার নামের মানবাধিকার সংস্থা গ্রহণ করে তাদের নিজ নিজ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করবে। ফেরত আসা নারী-পুরুষরা জানান, ভালো কাজের প্রলোভন দেখিয়ে তাদের ভারতে নিয়ে গিয়ে বিক্রি করে দেয়া হয় এবং বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ কাজে বাধ্য করা হয়। অনেক কষ্টের পর দেশে ফিরে পরিবারের কাছে আসতে পেরে তারা স্বস্তি অনুভব করছেন।
জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার যশোরের ফিল্ড ফ্যাসিলিটেটর শফিকুল ইসলাম জানান, ফেরতদের বেনাপোল পোর্ট থানা থেকে গ্রহণ করে তাদেরকে নিজ নিজ পরিবারের কাছে আজ সোমবার হস্তান্তর করা হবে।
ভারতে কারাভোগ শেষে দেশে ফিরল ৩৩ বাংলাদেশি
এফএনএস (মহসিন মিলন; বেনাপোল, যশোর) : ভারতে পাচার হওয়া ৩৩ বাংলাদেশিকে বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে ফেরত পাঠিয়েছে ভারতীয় পুলিশ। এদের মধ্যে নারী-শিশু রয়েছে ৮ জন ও ২৫ জন পুরুষ। রবিবার (২২ মার্চ) সন্ধ্যায় ভারতের পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ তাদের বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। ফেরত আসারা যশোর,খুলনা, নড়াইল রংপুর, ঠাকুরগাঁও, সাতক্ষীরা ও মেহেরপুর জেলার বাসিন্দা।
বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোর্তজা জানান, ভালো কাজের আশায় তিন বছর আগে তারা দালালের মাধ্যমে অবৈধভাবে ভারতের কলকাতায় গিয়েছিল। সেখানে পুলিশের হাতে আটক হয় তারা। এরপর অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে সে দেশের আদালত তাদের দুই বছরের সাজা দিয়ে কারাগারে পাঠায়। কারাভোগ শেষে ভারতের একটি মানবাধিকার সংস্থা তাদের দায়িত্ব নিয়ে শেল্টারহোমে রাখে। পরে উভয় দেশের দূতাবাসের সহযোগিতায় এবং ভারত সরকারের বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে রবিবার সন্ধ্যায় তারা দেশে ফিরে।
ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে তাদের বেনাপোল পোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়। সেখান থেকে জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার নামের মানবাধিকার সংস্থা গ্রহণ করে তাদের নিজ নিজ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করবে। ফেরত আসা নারী-পুরুষরা জানান, ভালো কাজের প্রলোভন দেখিয়ে তাদের ভারতে নিয়ে গিয়ে বিক্রি করে দেয়া হয় এবং বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ কাজে বাধ্য করা হয়। অনেক কষ্টের পর দেশে ফিরে পরিবারের কাছে আসতে পেরে তারা স্বস্তি অনুভব করছেন।
জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার যশোরের ফিল্ড ফ্যাসিলিটেটর শফিকুল ইসলাম জানান, ফেরতদের বেনাপোল পোর্ট থানা থেকে গ্রহণ করে তাদেরকে নিজ নিজ পরিবারের কাছে আজ সোমবার হস্তান্তর করা হবে।