আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বরিশালের গৌরনদী উপজেলা পরিষদের সম্ভ্রাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আলহাজ আবুল হোসেন মিয়া বলেছেন, আমি সবসময়ই মানুষের পাশে থেকে কাজ করার চেষ্টা করেছি, সেটি রাজনৈতিক পরিচয়ের উর্ধ্বে গিয়ে মানবিক দায়িত্ববোধ থেকেই। যেকারণে গৌরনদীর মানুষের ভালোবাসা, বিশ্বাস এবং প্রত্যাশাই আমার রাজনীতির মূল প্রেরণা।
তিনি আরও বলেছেন, দক্ষিণাঞ্চলের প্রবেশদ্বার হিসেবে গৌরনদী উপজেলার যে ঐতিহ্য ও গুরুত্ব রয়েছে, সেটিকে আরও সমৃদ্ধ ও কার্যকর করতে পরিকল্পিত উন্নয়ন, সুশাসন ও জনগণের অংশগ্রহণ অত্যন্ত জরুরি। আমি বিশ্বাস করছি, সঠিক নেতৃত্ব ও সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে গৌরনদীকে একটি আধুনিক, উন্নত ও মডেল উপজেলায় রূপান্তর করা সম্ভব।
আবুল হোসেন মিয়া বলেন, দল আমাকে যে দায়িত্ব দেবে, আমি তা সর্বোচ্চ নিষ্ঠা, সততা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে পালন করতে প্রস্তুত। অতীতে যেভাবে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের পাশে থেকেছি, ভবিষ্যতেও তাদের সঙ্গে নিয়েই কাজ করতে চাই।
দলীয় সিদ্ধান্তের প্রতি সর্বদা শ্রদ্ধাশীল জানিয়ে তিনি বলেন, আমি শতভাগ আশা করছি আমার দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক অবদান যথাযথভাবে মূল্যায়িত হবে।
সূত্রমতে, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরপরই দেশব্যাপী উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা জোরালো হয়ে উঠেছে। নির্বাচন কমিশনের এমন আভাস পাওয়ার সাথে সাথেই সম্ভ্রাব্য প্রার্থীরা নিজ নিজ এলাকায় তৎপরতা বাড়িয়েছেন।
তারই ধারাবাহিকতায় বরিশালের গৌরনদী উপজেলায় বইতে শুরু করেছে নির্বাচনী হাওয়া। যা ইতোমধ্যে জনমনে ব্যাপক কৌতূহল ও আগ্রহের সৃষ্টি করেছে। চায়ের দোকান থেকে শুরু করে সামাজিক-রাজনৈতিক অঙ্গন সবখানেই এখন উপজেলা নির্বাচন নিয়ে প্রাণবন্ত আলোচনা চলছে।
সম্ভাব্য প্রার্থীদের যোগ্যতা, জনপ্রিয়তা ও অতীত কর্মকান্ড নিয়ে চলছে নানা বিশ্লেষণ। এই প্রেক্ষাপটে তৃণমূল নেতাকর্মীদের আস্থার প্রতীক হিসেবে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন গৌরনদী উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও জেলা বিএনপির সদস্য আলহাজ আবুল হোসেন মিয়ার নাম।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে দলের সাংগঠনিক কার্যক্রমে সক্রিয় ও নিবেদিত ভূমিকা পালন করে আসছেন আবুল হোসেন মিয়া। তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সঙ্গে তাঁর নিবিড় সম্পর্ক ও নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে। যা তাঁকে একটি শক্তিশালী সাংগঠনিক ভিত্তি গড়ে তুলতে সহায়তা করেছে। বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়ে তিনি মাঠপর্যায়ের কর্মীদের আস্থা অর্জনে সক্ষম হয়েছেন।
বিশেষ করে দলের দুঃসময়ে নেতাকর্মীরা যখন হামলা-মামলার শিকার হয়েছেন, তখন তিনি তাদের পাশে দাঁড়িয়ে চিকিৎসা সহায়তা ও আইনি ব্যয় বহন করেছেন বলে একাধিক নেতাকর্মীরা জানিয়েছেন। ফলে মাঠপর্যায়ে তাঁর গ্রহণযোগ্যতা ও জনপ্রিয়তা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
রাজনৈতিক অঙ্গনে পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি, ভদ্রতা, বিনয়ী আচরণ এবং কর্মীবান্ধব নেতৃত্বের কারণে আবুল হোসেন মিয়া ইতোমধ্যেই উপজেলাবাসীর মধ্যে ব্যাপক সুনাম অর্জন করেছেন। পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন ধর্মীয়, সামাজিক ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পৃষ্ঠপোষক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন। যা তাঁর সামাজিক গ্রহণযোগ্যতাকে আরও সুদৃঢ় করেছে।
স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা জানান, আবুল হোসেন মিয়া অতীতে বার্থী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে সুনাম ও দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং জনসম্পৃক্ততা তাঁকে উপজেলা চেয়ারম্যান পদে একজন শক্তিশালী ও সম্ভাবনাময় প্রার্থী হিসেবে এগিয়ে রেখেছে।