দেশের উত্তরাঞ্চলের মধ্যে নীলফামারী কৃষি প্রধান জেলা। এ জেলায় দিন দিন বাড়ছে খিরার আবাদ। কম সময়ে বেশি লাভ হওয়ায় কৃষকদের কাছে এই ফসলটি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। জেলার বিভিন্ন উপজেলায় খিরার চাষ ব্যাপকভাবে বিস্তৃত হয়েছে। অনুকূল আবহাওয়া, উর্বর মাটি এবং সহজ পরিচর্যার কারণে কৃষকরা এই ফসলের প্রতি আগ্রহী হচ্ছেন। স্থানীয় কৃষকদের মতে,খিরা চাষে খরচ তুলনামূলক কম। এটির ফলন বেশ ভালো হয়। জমিতে খিরা চাষ করে কৃষকরা স্বল্প সময়ে ভালো মুনাফা পাচ্ছেন। এক চাষী বলেন,বীজ বপনের ৪০ থেকে ৫০ দিনের মধ্যেই ফসল সংগ্রহ করা সম্ভব, যা কৃষকদের জন্য একটি বড় সুবিধা। এছাড়া স্থানীয় বাজারসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে খিরার চাহিদা থাকায় কৃষকরা সহজেই তাদের উৎপাদিত পণ্য বিক্রি করতে পারছেন। কৃষক ফজলুল হক জানান, ধান বা অন্যান্য ফসলের তুলনায় খিরা চাষে লাভ বেশি হওয়ায় তারা ধীরে ধীরে এই চাষে ঝুঁকছেন। কৃষি বিভাগও কৃষকদের আধুনিক পদ্ধতিতে খিরা চাষে উদ্বুদ্ধ করছে। উন্নত জাতের বীজ,সঠিক সার প্রয়োগ এবং রোগবালাই দমনের বিষয়ে কৃষকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে এমন কথা বললেন সৈয়দপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ধীমান ভুষন। সব মিলিয়ে বলা যায়, নীলফামারীতে খিরার আবাদ কৃষকদের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে এবং ভবিষ্যতে এই চাষ আরও বিস্তৃত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। নীলফামারী সদরের টেক্সটাইল বাজারের উত্তরে সড়ক সংলগ্ন স্থানে এমদাদুল হক নামে এক কৃষক মাচাং পদ্ধতিতে খিরার আবাদ করছেন। তিনি বলেন,ফলনও বেশ ভাল হয়েছে। তাছাড়া খিরার চাহিদাও বেশি। বাজারে দাম তুলনামুলক বেশ ভাল হওয়ায় তিনি খুবই খুশি।