আশাশুনি উপজেলার বারানাসীপুর মৌজায় ৩৫ বছরের ভোগদখলীয় ও বেকর্ডীয় জমিতে জবর দখলের লক্ষে মাটি কেটে ঘর নির্মানের চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এব্যাপারে থানায় লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে। চেচুয়া গ্রামের শহীদ সরদার ওরফে সুজাউদ্দীন সরদার জানান, বারানাসীপুর মৌজায় এসএ ১৩, ১২, ১৪, ১৫, ১৩৬, বিআরএস ৪৫, ২৬১, ১৬৬, ২৫০, ২৬৪, ৪১৮, সাবেক ৩৪৮, ৩৫১, হাল ৭৬১, ৭৭১, ৭৬২, ৭৭৫, ৭৪৯ দাগে ১ একর সাড়ে ৪৭ শতক জমির মধ্যে ৪১ শতক জমি লাল চাঁদ গাজীর নিকট থেকে আজিজ সানা ক্রয় করেন। ১৯৯১ সালে এসএ রেকর্ড অনুযায়ী আজিজ সানা ৪১ শতক জমি জামাল উদ্দীন সরদারের কাছে বিক্রয় করেন। জামাল উদ্দীনের নামে আরএস রেকর্ড (খং ১৬৬) হয়েছে। ১৯৯১ সাল থেকে জামাল উদ্দীন ও তার মৃত্যুর পর তার ওয়ারেশগণ চেক দাখিলা কাটা ও ভোগদখল করে আসছেন। লাল চাঁদ গাজীর ছেলে শমছের গাজী তার পিতা জমি বিক্রয় করেনি দাবী করে জমিতে সম্প্রতি জবর দখলের চেষ্টা করে আসছেন। শমছের গাজী বাদী হয়ে ল্যান্ড সার্ভে আদালতে এলএসটি ১১৯১/২০২০ নং মামলা করেন। বিজ্ঞ আদালত ২১/৫/২৫ তাং আংশিক রায় প্রদান করলে শহীদ সরদার ওরফে সুজা উদ্দীন বাদী হয়ে ১১৫/২৫ নং আপীল ট্রাইব্যুনাল মামলা করেন। বিজ্ঞ আদালত ১১৯১/২০২০ মামলার ২১/৫/২৫ তারিখের রায় ও ২৫/৫/২৫ তারিখের ডিগ্রীর কার্যকারিতা স্থগিত করেন। গত আমন ধান চাষাবাদ করে শহীদ সরদার দিং ফসল ঘরে তোলেন। গত ৭ ডিসেম্বর তারা জমিতে ইরি ব্লকের জন্য পরিস্কারের কাজ করতে গেলে প্রতিপক্ষ দেশী অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে আক্রমন করলে গুরুতর আহত ৪ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ১০ জনকে আসামী করে থানায় এজাহার করলে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে। আদালতে শর্তের মামলা চলমান থাকার পরও শমছের গাজী দিং জমি জবর দখল করবে ও প্রতিপক্ষকে হুমকী ধামকী দিয়ে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সকালে শহীদ সরদারের বাড়ির পুরুষ মানুষ বাড়িতে না থাকার সুযোগে জমিতে অনাধিকার প্রবেশ করে মাটি কেটে পাশে ভরাট করে সেখানে ঘর নির্মানের পায়তারা চালাচ্ছে। শহীদ সরদারের বৃদ্ধা মা মাটি কাটার কারন জানতে গেলে ভয়ভীতি ও হুমকী ধামকী দিয়ে তাড়িয়ে দেয়া হয়। এব্যাপারে শহীদ সরদার বাদী হয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। এবিষয়ে শমছের গাজী জানান, আদালতে আমাদের পক্ষে আংশিক রায় হয়েছে। বিবাদী পক্ষ আপীল করেছেন। আমরা মাটি কেটে পাশে উচু করে সেখানে পাহারার জন্য ঘর নির্মান করতে চাই।