সুন্দরগঞ্জে নাস্তা খাওয়ার লোভ দেখিয়ে শিশু ধর্ষণ

এফএনএস (মোঃ ইমদাদুল হক; সুন্দরগঞ্জ, গাইবান্ধা) :
| আপডেট: ৪ এপ্রিল, ২০২৬, ০৪:০৮ পিএম | প্রকাশ: ৪ এপ্রিল, ২০২৬, ০৪:০৮ পিএম
সুন্দরগঞ্জে নাস্তা খাওয়ার লোভ দেখিয়ে শিশু ধর্ষণ

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বেলকা ইউনিয়নের পূর্ববেলকা গ্রামে নাস্তা খাওয়ার লোভ দেখিয়ে ১০ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে থানায় মামলা করেছেন ওই শিশুর পিতা নুর আলম মিয়া। ওই শিশু বেলকা আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২য় শ্রেনির শিক্ষার্র্থী। ঘটনাটি ঘটেছে গত বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে। থানা পুলিশ ও ভূক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতির ঘটনার দিন ১০টার দিকে নুর আলম মিয়ার শিশু কন্যা প্রতিবেশি মো. সৈয়দ আলীর (৫২) বাড়ি ঝাড়ু দিতে যায়। এ সময় বাড়িতে কেউ ছিল না। বাড়ি ঝাড়ু দেয়া শেষে সৈয়দ আলী শিশুটিকে নাস্তা দেয়ার কথা বলে ঘরে ডেকে নিয়ে মুখে. গালে, বুকে চুমু ও কামার দেয়। এ সময় শিশুটি কান্না কাটি করলে তাকে ধমক দিয়ে থামিয়ে দেয়। পরে শিশুটি বাড়িতে এসে তার মা, বাবাকে বিষয়টি খুলে বলে। শিশুর বাবা আলম মিয়া বিষয়টি তাৎক্ষনিক ভাবে স্থানীয়দের পাশাপাশি ইউনিয়ন নেম্বর ও চেয়ারম্যানকে জানান। ঘটনাটি জানাজানি হয়ে গেলে এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করে। এরই এক পর্যায় সৈয়দ আলী বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে থানার ওসি মো. তাজুল ইসলাম ও পুলিশ পরিদর্শক তদন্ত মো. আবু ইকবাল পাশা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন নিয়ে আসেন। এদিকে বৃহস্পতিবার রাতে এলাকাবাসি বেলকা বাজারে ধর্ষকের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেন।  ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য মো. গোলজার হোসেন বলেন, বিষয়টি জানার পর তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে শিশুর নিকট থেকে সত্য ঘটনা জানার চেষ্টা করেন। তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন শিশুর বুকে কামরের দাগ রয়েছে। শিশুর সাথে সৈয়দ আলীর দাদা-নাতনির সম্পর্ক। সে জামায়াতের একজন কর্মী। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। শিশুর জ্যেঠা মো. আব্দুল মান্নান বলেন, এটি অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা। সৈয়দ আলী একজন চরিত্রহীন মানুষ। এর আগেও ওর বিরুদ্ধে একাধিক নারী সংক্রান্ত ঘটনা রয়েছে। তিনি সঠিক তদন্ত সাপেক্ষে তার ভাতিজির এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানান। সৈয়দ আলী পলাতক থাকায় তার মতামত নেয়া সম্ভাব হয়নি। থানার পুলিশ পরিদর্শক মো. আবু ইকবাল পাশা বলেন, এটি একটি লজ্জাজনক মর্মাহত ঘটনা। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। এনিয়ে ধষণের মামলা হয়েছে। শুক্রবার শিশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করার জন্য গাইবান্ধা আধুনিক সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আসামি গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে