বুধহাটায় দোকানে ঢুকে মারপিট ও লুটপাটের অভিযোগ

এফএনএস (জি.এম. মুজিবুর রহমান; আশাশুনি, সাতক্ষীরা) : | প্রকাশ: ৫ এপ্রিল, ২০২৬, ০৭:৫৭ পিএম
বুধহাটায় দোকানে ঢুকে মারপিট ও লুটপাটের অভিযোগ

আশাশুনি উপজেলার বুধহাটা ইউনিয়নের কুঁন্দুড়িয়ায় দোকানের মধ্যে ঢ়ুকে একজনকে মারপিট, দোকানের মালামাল ও টাকা লুটপাটের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গুরুতর আহত সঞ্জয় মন্ডলকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। কুঁন্দুড়িয়া গ্রামের মৃত পশুপতি মন্ডলের ছেলে    আশাশুনি হাসপাতালের বেডে শায়িত সঞ্জয় মন্ডল জানান, শনিবার বিকালেনতাদের বিরোধ নিয়ে শালিস হয়। শালিস শেষে রাত্র ৮ টার দিকে শফিকুল ইসলামের দোকানে বসে ছিলাম। আমি কুঁন্দুড়িয়া হরি মন্দির ও বাসন্তি মন্দিরের সভাপতি। মন্দিরের কমিটি গঠন নিয়ে মুসলিম সম্প্রদায়ের সাহেব আলী পাড়ায় পাড়ায় গিয়ে আমাকে সভাপতি না করতে নানান কথা ও প্রভাব খাটিয়ে আসছিল। এসব ঘটনার জের ধরে সাহেব আলী, শাহিন, মইদুল, রুহুল আমিন, আকাশ, মিঠুন সহ ১২/১৪ জন দোকানে ঢ়ুকে দেশী অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আমাকে এলোপাতাড়ী মারপিট করে। দোকান ভাংচুর ও মালামাল লুটপাট করে।  দোকানদান শফিকুল ইসলাম বলেন, সভাপতি সঞ্জয় আমার দোকানের মধ্যে বসে ছিল। এসময় আকাশ, রুহুল আমিন, মিঠুনসহ ১২/১৪ জন দাসহ অন্যান্য অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে দোকানে ঢ়ুকে সঞ্জয়কে বেপরোয়া মারপিট করে। আমার ক্যাশ বাক্সে থাকা ৬৫ সহস্রাধিক টাকা ও অনুমান ৫০ হাজার টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। দোকানে ভাংচুর করে। ইউপি সদস্য মতিয়ার রহমান বলেন, আধিপত্য বজায় রাখতে তারা এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করে আসছে। তারা দোকান লুটপাট ও সঞ্জয়কে মারপিট করে জখম করেছে। আমরা অপরাধীদের গ্রেফতারের জোর দাকী জানাচ্ছি। উপজেলা যুব দলের সদস্য সচিব আবু জাহিদ সোহাগ বলেন, হরি মন্দির ও বাসন্তি মন্দিরের সভাপতি সন্ত্রাসীদের আক্রমনের শিকারের খবর পেয়ে আমি সেখানে যাই। সাহেব আলীসহ তাদের দলীয় লোকজন হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে ঢ়ুকে চরম বিশৃংখলা সৃষ্টি করে। খবর শুনে আমরা ও পুলিশ ঘটনাস্থলে যাই। ওসি সাহেবকে বিষয়টি জানান হয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেফতার ও আইনগত ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করা হয়েছে।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে