বিতর্ক ক্যারিয়ার জুড়ে লেগেই ছিল সাকিব আল হাসানের। তবে সবচেয়ে বড় বিতর্ক বোধহয় সৃষ্টি হয়েছে দেশের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর। তার নামে হয়েছে মামলা, পড়েছেন রোষানলে। সেই মামলার কারণে এখনও দেশে ফেরা হয়নি। এবার দেশে ফেরা, মামলা থেকে মুক্তি পাওয়া আর বিসিবির ভূমিকা নিয়ে মুখ খুললেন সাবেক এই অধিনায়ক। এক সাক্ষাৎকারে সাকিব জানিয়েছেন, মামলা-মোকদ্দমার ফয়সালা হয়ে গেলেই দেশে ফিরে আসবেন তিনি। তবে সেজন্য বিসিবির সহায়তাও চেয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমি আশাবাদী, সবসময়ই একজন আশাবাদী মানুষ ছিলাম। আইনি প্রক্রিয়াগুলোর কাজ শুরু হয়েছে। এখন যত দ্রুত সম্ভব যদি আমি সমাধান করতে পারিৃ চেষ্টা করছি দ্রুত যেন সমস্যাগুলোর সমাধান করতে পারি। এখন বিষয়গুলো যত দ্রুত সমাধান করা সম্ভব হবে, আমি তত দ্রুতই ফিরতে পারব।’ মূলত বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডই উদ্যোগ নেয় সাকিবকে দেশে ফেরানোর। যেখানে সহায়তা করছে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ও। সাকিব জানান, ‘আমি যতটুকু জানি বিসিবির মাধ্যমেই যোগাযোগ হচ্ছে (ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে)। আমার সঙ্গে সরাসরি কোন যোগাযোগ হয়নি। আর বিসিবির সঙ্গে মাঝে মাঝে হয়, মাঝে মাঝে হয় না, এরকম অবস্থা। কাজেই নিজের উদ্যোগে সব কিছু করার চেষ্টা করছি। বাকিটা দেখা যাক।’ বিসিবি কীভাবে তাকে আরও বেশি সহায়তা করতে পারে, জানিয়ে সাকিব বলেন, ‘আইনি প্রক্রিয়া যেগুলো আছে, সেগুলো বিসিবির মাধ্যমে হলে জিনিসটা আরও তাড়াতাড়ি সমাধান হতে পারত। বিসিবিরও সিদ্ধান্তের বিষয় আছে যে তারা এটা করবে কিনা, করতে চায় কিনা বা তাদের করার এখতিয়ার আছে কিনা। হয়ত এভাবে করাটা সম্ভব হয় না। আমারটা যেহেতু আমাকেই করতে হবে। বাকিটা বললাম তো যে যে সাহায্যগুলো লাগে, তাদেরকে সেই অনুরোধটুকু করব।’ দীর্ঘদিন ধরে সাকিব পা রাখতে পারছেন না বাংলাদেশের মাটিতে। স্বাভাবিকভাবেই দেশকে মিস করছেন তিনি। জানালেন, ‘যেকোনো মানুষই যখন তার দেশে যেতে পারে না, তখন সে অবশ্যই দেশকে মিস করবে। আমার ক্ষেত্রেও তার কোনো ব্যতিক্রম নেই; আমিও দেশটাকে ভীষণভাবে মিস করছি,। আশা করছি দ্রুতই দেশে ফিরতে পারব, সেটা হলে অবশ্যই ভালো লাগবে।’ এ সময় তিনি অতীতের নানা বিতর্ক নিয়ে বলেন, ‘মানুষ ভুল থেকেই শেখে, শিখতেই থাকে। সেই জায়গা থেকে আরও নতুন নতুন জিনিস শিখতে পারছি।’