রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে এক সাংবাদিককে প্রবেশে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা শিমু আক্তারের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে ঘিরে স্থানীয় মহলে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
জানা যায়, সম্প্রতি এক সাংবাদিক তথ্য সংগ্রহের উদ্দেশ্যে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে গেলে নির্বাচন কর্মকর্তা শিমু আক্তার তাকে অফিসে না আসতে বলেন। পরে প্রায় আধা ঘণ্টা পর ওই সাংবাদিক পুনরায় অফিসে গেলে দেখতে পান, কর্মকর্তার কক্ষের দরজা বন্ধ অবস্থায় তিনি একজন ব্যক্তির সঙ্গে কথোপকথনে ব্যস্ত রয়েছেন।
সাংবাদিক ওই ব্যক্তির পরিচয় জানতে চাইলে নির্বাচন কর্মকর্তা জানান, “উনি আমার লোক।” এ সময় সাংবাদিক জানতে চান, এমন কী গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা চলছে যার কারণে তাকে অফিসে আসতে নিষেধ করা হয়েছিল। এ প্রশ্নে নির্বাচন কর্মকর্তা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখান।
অভিযোগ রয়েছে, তার রাগান্বিত আচরণে বিব্রত হয়ে সাংবাদিককে বাধ্য হয়ে অফিস ত্যাগ করতে হয়।
পরবর্তীতে তথ্য অধিকার আইন ২০০৯-এর ৮(১) ধারার আওতায় নির্ধারিত ‘ক’ ফরম পূরণ করে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে তথ্য চাওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
এ ঘটনায় স্থানীয় সচেতন মহল প্রশ্ন তুলেছে-সরকারি দপ্তরে তথ্য সংগ্রহে কেন বাধা দেওয়া হলো এবং কর্মকর্তার এ ধরনের আচরণ কতটা যৌক্তিক।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা শিমু আক্তারের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলে তা পাওয়া যায়নি।