তানোরে গলায় দড়ি দিয়ে যুবকের আত্নহত্যা

মো: ইমরান হোসাইন; তানোর, রাজশাহী
| আপডেট: ৯ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৩৯ পিএম | প্রকাশ: ৯ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৩৯ পিএম
তানোরে গলায় দড়ি দিয়ে যুবকের আত্নহত্যা
রাজশাহীর তানোরে স্ত্রী বাড়ি ছেড়ে চলে যাওয়ার দুইদিন পর বাবুল ফকির বাদল (৪৩) নামের এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে তানোর থানা পুলিশ। শনিবার (৮ আগস্ট) সকাল নয়টার দিকে উপজেলার তালন্দ ইউনিয়নের কালনা দক্ষিণপাড়া গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বাবুল ফকির বাদল কালনা দক্ষিণপাড়া গ্রামের মৃত জাকির ফকিরের পুত্র। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সকালে পরিবারের সদস্যরা বাড়ির দরজার তীরের সঙ্গে দড়ি পেঁচানো অবস্থায় বাবুলের মরদেহ দেখতে পান। পরে খবর পেয়ে তানোর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। ময়নাতদন্তের জন্য মরাদেহ রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পরিবারের সদস্যরা জানান, বাবুলের স্ত্রী অবিজান বেওয়া প্রায় দুই মাস আগে মুঠোফোনে পরিচয়ের সূত্র ধরে জামালপুরে শাহিন নামের এক ব্যক্তির কাছে চলে যান। প্রায় এক মাস পর তিনি আবার বাড়িতে ফিরে আসেন। পরে কিস্তির টাকা তোলার পর গত ৬ আগস্ট তিনি আবার জামালপুরে ওই ব্যক্তির কাছে চলে যান। এর দুইদিন পর শনিবার সকালে বাবুলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। স্বজনরা জানান, বাবুলের সংসারে দীর্ঘদিন ধরে আর্থিক সংকট ছিল। কিস্তির টাকা তোলা ও সংসারের খরচসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাঁকে চাপের মধ্যে থাকতে হতো। এছাড়া স্ত্রী বাড়ির বাইরে চলে যাওয়ার বিষয়টি নিয়েও পরিবারে টানাপোড়েন ছিল। তবে, এসব বিষয় বাবুলের মৃত্যুর কারণ কিনা, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বাবুলের পুত্র শান্ত তাঁর বাবার মৃত্যুর ঘটনায় সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। পরিবারের পক্ষ থেকে এ ঘটনায় হত্যা মামলা করার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানানো হয়েছে। তবে, শনিবার দুপুর পর্যন্ত থানায় কোনো হত্যা মামলা হয়নি। তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এসএম মাসুদ পারভেজ বলেন, বাবুল ফকির বাদলের মৃত্যুর ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা হয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ই/তা
আপনার জেলার সংবাদ পড়তে