সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করলে গণমাধ্যম এগিয়ে যাবে: রিজভী

নিজস্ব প্রতিবেদন | প্রকাশ: ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০২:৫৫ পিএম
সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করলে গণমাধ্যম এগিয়ে যাবে: রিজভী
ছবি: সংগ্রহীত

গণমাধ্যমকে সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করার সুযোগ দিতে হবে, একই সঙ্গে সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেছেন, বর্তমানে গণমাধ্যমের জন্য তুলনামূলক মুক্ত পরিবেশ তৈরি হয়েছে। এই পরিবেশে সরকার, বিরোধী দল এবং অন্য সব পক্ষের সমালোচনা ও মতপ্রকাশের সুযোগ থাকা জরুরি।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, এনসিপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি, সাংবাদিক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেন।

রিজভী বলেন, গণতান্ত্রিক সমাজ ও রাষ্ট্র গড়ে তোলার ক্ষেত্রে স্বাধীন গণমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ একটি স্তম্ভ। বর্তমান পরিস্থিতিতে যে মুক্ত পরিসর তৈরি হয়েছে, সেখানে সরকারে থাকা ব্যক্তিদের পাশাপাশি বিরোধী দল ও অন্য পক্ষগুলোরও মুক্তভাবে কথা বলার সুযোগ থাকা উচিত।

তিনি বলেন, “বর্তমান পরিসর এবং পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে আজকে একটি মুক্ত পরিবেশ আমরা পাচ্ছি। এখানে সব থাকবে। যারা সরকারে আছেন, সরকারের বাইরে যারা আছেন, বিরোধী দল, তারা মুক্তকণ্ঠে সমালোচনা করবেন। আবার সরকারের যে কাজগুলো, সেগুলোর গঠনমূলক সমালোচনা করবেন। একটি গণতান্ত্রিক সমাজ এবং রাষ্ট্র গড়ে ওঠার প্রত্যয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভই হচ্ছে এই গণমাধ্যম।”

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা না থাকলে সমাজে দুর্নীতি, ঘুষ ও সন্ত্রাস বাড়ার সুযোগ তৈরি হয় বলেও মন্তব্য করেন রিজভী। তার মতে, সাংবাদিকেরা যাচাই-বাছাই করে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ করলে সমাজে এসব অনিয়ম কমবে এবং সামাজিক পরিবেশ আরও পরিচ্ছন্ন হবে।

রিজভী বলেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতার কোনো বিকল্প নেই। সংবাদপত্র ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতার সার্বজনীন রূপ হচ্ছে সত্য তুলে ধরা। তবে সেই সত্য প্রকাশের আগে তথ্য যাচাই-বাছাই করাও সাংবাদিকতার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। সত্য প্রকাশ করতে গিয়ে জীবনের ঝুঁকি তৈরি হলেও সাংবাদিকদের সেই ঝুঁকি নেওয়ার মানসিকতা থাকতে হয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।

একসময় মানুষের কথা বলা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা গুরুতর অন্যায় হিসেবে বিবেচিত হতো উল্লেখ করে রিজভী বলেন, সেই সময়েও সাংবাদিকেরা যতটুকু সুযোগ পেয়েছেন, তার মধ্যেই মানুষের কথা তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন।

তিনি বলেন, “একটা সময় ছিলো যখন মত প্রকাশের স্বাধীনতা বা মানুষের কথা বলা ছিল গুরুতর অন্যায়। সেই মুহূর্তেও গণমাধ্যমকর্মীরা যতটুকু স্পেস পেয়েছে, সেটুকু তারা প্রচার করতে প্রকাশ করতে কখনো দ্বিধা করেনি।”

ফ্যাসিবাদী সময়ে ডিআরইউ ছিল আশ্রয়ের জায়গা

বিগত ফ্যাসিবাদী সময়ে বিরোধী মত প্রকাশের পরিসর সংকুচিত হয়ে গেলেও ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি কিছুটা আশ্রয়ের জায়গা হিসেবে কাজ করেছে বলে মন্তব্য করেন রিজভী।

ডিআরইউর সঙ্গে নিজের দীর্ঘদিনের সম্পর্কের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, সংগঠনটি সংবাদ সংগ্রহ করে নিজ নিজ গণমাধ্যমে প্রকাশ ও প্রচার করা সাংবাদিকদের একটি সংগঠন। তার দুঃখের দিন, সংগ্রামের দিন ও আনন্দের দিনের সঙ্গে ডিআরইউর সাংবাদিকদের সম্পর্ক রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

রিজভী বলেন, দলীয় কার্যালয়ে কোনো সময় আশ্রয়ের সুযোগ না থাকলে তারা ডিআরইউকে নিজেদের একটি আশ্রয়ের জায়গা হিসেবে মনে করতেন। সাংবাদিকদের অনেকে তাদের দিন-রাতের কার্যক্রম ধারণ করতেন এবং তাদের সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্কও তৈরি হয়েছিল। ডিআরইউতে গেলে অন্তত এক কাপ চায়ের আমন্ত্রণ পাওয়ার নিশ্চয়তা ছিল বলেও রসিকতা করেন তিনি।

তার ভাষায়, ফ্যাসিবাদী সময়ে বিরোধী মত প্রকাশের জায়গা এতটাই সংকুচিত হয়ে গিয়েছিল যে ভিন্নমতাবলম্বীদের কোথায় দাঁড়িয়ে কথা বলবেন, সেটিও নির্ধারণ করার সুযোগ ছিল না। সেই সময় কিছুটা জায়গা ছিল ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে।

জাতীয় প্রেসক্লাবের প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, প্রতিষ্ঠানটি একসময় ভিন্নমত পোষণকারী এবং গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় সরকারের বিরোধী মতের মানুষের আশ্রয়ের জায়গা ছিল। তবে পরবর্তী সময়ে সেটি নিয়ন্ত্রণ করা হয় এবং তার অভিযোগ অনুযায়ী ফ্যাসিবাদের আশ্রয়কেন্দ্রে পরিণত হয়েছিল।

জুলাই আন্দোলনের ১৯ জুলাই প্রেসক্লাবের ভেতর থেকে তার গ্রেপ্তারের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন রিজভী। তিনি বলেন, প্রেসক্লাবের তৎকালীন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল বলে তিনি অনেকের কাছ থেকে শুনেছেন। তবে তিনি নিজে বিষয়টির সত্যতা জানেন না বলেও স্পষ্ট করেন।

১৭ বছরে মতপ্রকাশের সুযোগ ছিল একজন ও এক দলের

বিগত ১৭ বছরে দেশে অনেক টেলিভিশন ও সংবাদপত্র থাকলেও মতপ্রকাশের সুযোগ কার্যত একজন ব্যক্তি ও একটি রাজনৈতিক দলের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল বলে অভিযোগ করেন রিজভী।

তিনি বলেন, গণমাধ্যম থাকলেও স্বাধীনভাবে ভিন্নমত প্রকাশের সুযোগ ছিল না। যারা এর বাইরে কথা বলার চেষ্টা করেছেন, তাদের কেউ ভয়ভীতি, গুমের শিকার হয়েছেন, আবার কেউ কারাগারে থেকেছেন।

রিজভীর ভাষায়, “বিগত ১৭ বছর দেখলাম অনেক টেলিভিশন ছিল, অনেক পত্রিকা ছিল। কিন্তু কথা বলা হবে, মত প্রকাশ হবে শুধুমাত্র একজন ব্যক্তির, একটি রাজনৈতিক দলের। আর যারা এর বাইরে চেষ্টা করেছেন, তাদের ভয়-গুমের শিকার হতে হয়েছে, না হলে কারাগারের মধ্যে থাকতে হয়েছে।”

এই সময়ের গণমাধ্যম পরিস্থিতিকে ভয়াবহ উল্লেখ করে তিনি বলেন, জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান না হলে ওই সরকার আরও বেশি সময় ক্ষমতায় থাকলে পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়াত, তা তিনি জানেন না।

রিজভীর অভিযোগ, তখন গণমাধ্যম, টেলিভিশনের টকশো, এমনকি টকশো উপস্থাপকদেরও নিয়ন্ত্রণ করা হতো। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমও বিভিন্নভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

তবে এই পরিস্থিতির মধ্যেও মাঠপর্যায়ের সাংবাদিকেরা গণতন্ত্রের আলো ধরে রেখেছিলেন বলে মন্তব্য করেন বিএনপির এই নেতা। তিনি বলেন, অনেক সাংবাদিক ঝুঁকি নিয়ে কাজ করেছেন এবং সীমিত পরিসরের মধ্যেও মানুষের কথা তুলে ধরেছেন।

টকশোতে কৃষিবিজ্ঞানীকে প্রশ্নের উদাহরণ

তৎকালীন গণমাধ্যম পরিস্থিতি বোঝাতে একটি টেলিভিশন টকশোর উদাহরণ তুলে ধরেন রিজভী। তার ভাষ্য অনুযায়ী, একটি টেলিভিশনকে সে সময় সরকারের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ এবং সরকারের মুখপাত্র হিসেবে বিবেচনা করা হতো।

রিজভী বলেন, ওই টেলিভিশনের এক নারী টকশো উপস্থাপক একজন কৃষিবিজ্ঞানীকে অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। ওই কৃষিবিজ্ঞানী তার গবেষণায় বড় আকারের বেগুনে ক্যানসারের কিছু উপাদান থাকার কথা পেয়েছিলেন।

তার দাবি, অনুষ্ঠানে ওই বিজ্ঞানীকে গবেষণার বিষয়টি ব্যাখ্যা করতে দেওয়ার বদলে উপস্থাপক প্রশ্ন করেছিলেন, তার গবেষণার সঙ্গে কোনো সরকারবিরোধী এজেন্ডার সম্পর্ক আছে কি না এবং তার বিরুদ্ধে তদন্ত হওয়া উচিত কি না।

রিজভীর ভাষ্য অনুযায়ী, ওই কৃষিবিজ্ঞানী কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। তিনি নিজের গবেষণার ফল তুলে ধরে মানুষকে সতর্ক করাকে দায়িত্ব মনে করেছিলেন। এরপরও তার বিরুদ্ধে সরকারের উৎপাদন ও উন্নয়নের বিরুদ্ধে কোনো ষড়যন্ত্র আছে কি না, তা তদন্ত এবং মামলা করার প্রয়োজন আছে কি না, এমন প্রশ্ন তোলা হয়েছিল বলে রিজভী দাবি করেন।

তিনি বলেন, “এটা বাস্তব কথা, এটা সত্য কথা। বেশি দিন আগে নয়, এই জুলাই বিপ্লবের কয়েক মাস আগের ঘটনা।”

রিজভীর অভিযোগ, সেই সময় হত্যা, খুন ও গুমের মতো ঘটনাগুলো নিয়ে গণমাধ্যমে যথাযথভাবে কথা বলা হয়নি। বরং সরকারের পক্ষে বয়ান তৈরি করে তা প্রচার করা হয়েছে এবং অনেক ক্ষেত্রে সেগুলো ছিল অসত্য।

সত্য প্রকাশে ঝুঁকি নিতেও প্রস্তুত থাকতে হবে

গণমাধ্যমের স্বাধীনতার অর্থ শুধু সংবাদ প্রকাশের সুযোগ নয়, যাচাই-বাছাই করে সত্য তথ্য জনগণের সামনে তুলে ধরাও এর অংশ বলে মন্তব্য করেন রিজভী।

তিনি বলেন, প্রশাসন ও আদালতকে আইনের শাসন নিশ্চিত করতে নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে হয়। একইভাবে একটি গণতান্ত্রিক সরকার থাকলে গণমাধ্যমকেও নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে।

মতপ্রকাশের স্বাধীনতার পাশাপাশি অপপ্রচার ও কলঙ্কলেপন গণতন্ত্রের প্রাণশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত করে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রসঙ্গ তুলে রিজভী বলেন, প্রচলিত প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমে একজন রিপোর্টার সংবাদ সংগ্রহ করেন, নিউজ এডিটর ও এডিটর তা যাচাই ও পরিশুদ্ধ করে প্রকাশ করেন। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন সম্পাদকীয় কাঠামো নেই।

তার মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের সুযোগ যেমন একজন শিক্ষিত ও সচেতন তরুণ, বৃদ্ধ বা প্রৌঢ়ের রয়েছে, তেমনি একজন বখাটে বা সন্ত্রাসীও সেটি ব্যবহার করতে পারে। ফলে তথ্য প্রকাশের ক্ষেত্রে দায়িত্বশীলতা ও যাচাই-বাছাই গুরুত্বপূর্ণ বলে তিনি মনে করেন।

সাংবাদিকদের ঝুঁকিপূর্ণ কাজের প্রশংসা

ডিআরইউর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের পেশাগত ঝুঁকির কথাও তুলে ধরেন রিজভী। তিনি বলেন, সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে অনেক সাংবাদিক শারীরিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। কেউ হাত বা পায়ের সক্ষমতা হারিয়েছেন, আবার কেউ প্রাণও হারিয়েছেন।

তিনি বলেন, “আপনাদের নিরন্তর যে প্রচেষ্টার মধ্যে দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে, আমার জানামতে অনেকেই আপনারা পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন। অনেকের হাত অবশ হয়ে গেছে, পা অবশ হয়ে গেছে। কেউ কেউ পৃথিবী থেকে চলে গেছে।”

জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দায়িত্ব পালন করে সাংবাদিকতার মতো পেশাকে আরও মর্যাদাপূর্ণ করে তোলার আহ্বান জানান তিনি।

ডিআরইউর ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠান নিয়ে রিজভী বলেন, এর আগেও তিনি সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আয়োজনে অংশ নিয়েছেন। প্রতিবছর ডিআরইউ প্রাঙ্গণে আনন্দঘন পরিবেশ তৈরি হয়। রঙিন বেলুন ওড়ানো, পায়রা ওড়ানো, র‍্যালি ও বিভিন্ন উৎসবের আয়োজনের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করা হয়।

অনুষ্ঠানে রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব, জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ, প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি-১ জাহিদুল ইসলাম রনি, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর শরাফত আলী সফু, পিআইবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক বাসেত জামান, মার্কেন্টাইল ব্যাংকের ডিএমডি অসীম কুমার সাহা, বেসিস ব্যাংকের চেয়ারম্যান হেলাল খান, ন্যাশনাল লাইফ ইনস্যুরেন্সের চেয়ারম্যান কাজিমুজ্জামান, ডিআরইউর সভাপতি আবু সালেহ আকন্দ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেলসহ বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে