নীলফামারী জেলা জামায়াতের স্মারকলিপি প্রদান

এফএনএস (ওবায়দুল ইসলাম; সৈয়দপুর, নীলফামারী) : | প্রকাশ: ১২ অক্টোবর, ২০২৫, ০২:৫৯ পিএম
নীলফামারী জেলা জামায়াতের স্মারকলিপি প্রদান

আগামী ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় নির্বাচন ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ এর ভিত্তিতে আয়োজনের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নীলফামারী জেলা শাখা। যাতে একটি নিরপেক্ষ, অংশগ্রহণমূলক ও গণতান্ত্রিক নির্বাচন করা সম্ভব হয়। এদাবিতে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টা বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে সংগঠনটি। 

১২ অক্টোবর জেলা জামায়াতের কার্যালয় থেকে একটি র‍্যালি বের করে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে গিয়ে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামানের হাতে স্মারকলিপি তুলে দেন নেতৃবৃন্দ। এরপর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুস সাত্তার। 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর ড.খায়রুল আনাম, জেলা সেক্রেটারি মাওলানা আন্তাজুল ইসলাম, সহকারী সেক্রেটারি ও জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট আল ফারুক আব্দুল লতীফ, জেলা অফিস সম্পাদক আব্দুল কাদিম, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের জেলা সভাপতি মনিরুজ্জামান জুয়েল, জেলা প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি ছাদের হোসেনসহ জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা।

জেলা আমীর মাওলানা আব্দুস সাত্তার বলেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার,সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও জনগণের অধিকার নিশ্চিতের লক্ষ্যে আমরা পাঁচ দফা দাবি উত্থাপন করেছি। 'জুলাই জাতীয় সনদ’-এর আলোকে আগামী ফেব্রুয়ারির নির্বাচন আয়োজন করতে হবে এবং উভয় কক্ষে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পিআর পদ্ধতি চালু করে সকল রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, পতিত ফ্যাসিবাদী সরকারের দমননীতি, জুলুম-নির্যাতন, গণহত্যা ও ব্যাপক দুর্নীতি দেশের গণতন্ত্রকে গভীর সংকটে ফেলেছে। এসব অপরাধের ন্যায়বিচার ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত না হলে জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধার সম্ভব নয়। তাই এব্যাপারে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উচিত গণদাবীর ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া। 

পরে জেলা জামায়াতের পক্ষ থেকে পাঁচ দফা দাবি পড়ে শোনানো হয়। দাবীগুলো হলো জুলাই সনদের ভিত্তিতে জাতীয় নির্বাচন আয়োজন, জাতীয় নির্বাচনে উভয় কক্ষে পিআর পদ্ধতি চালু, অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য সবার জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত, ফ্যাসিস্ট সরকারের জুলুম-নির্যাতন, গণহত্যা ও দুর্নীতির বিচারের ব্যবস্থা, স্বৈরাচারপন্থী দলসমূহ, বিশেষ করে জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলীয় জোটের কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা।