রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার বড় দরগা ইউনিয়নের ঢোড়াকান্দ গ্রামে পূর্বপরিকল্পিতভাবে এক পরিবারের ওপর হামলা ও মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এক নারী গুরুতর আহত হয়েছেন।এলাকাবাসী ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ঢোড়াকান্দ গ্রামে জমিজমা ও পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। অভিযোগ অনুযায়ী, মজবুল মাস্টার ও তার পরিবারের সদস্যরা প্রায়ই ভুক্তভোগী পরিবারকে গালিগালাজ, মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছিলেন।ঘটনাটি ঘটে গত ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫ ইং, সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে। অভিযোগে বলা হয়, পূর্ব বিরোধের জের ধরে মজবুল মাস্টারের নেতৃত্বে তার পরিবারের সদস্য ও বহিরাগত কয়েকজন সংঘবদ্ধ হয়ে লাঠিসোটা ও লোহার সাবলসহ ভুক্তভোগীর বসতবাড়িতে অনধিকার প্রবেশ করে। এ সময় তারা ফেরদৌসী বেগমসহ পরিবারের নারীদের অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করেন। প্রতিবাদ করতে গেলে অভিযুক্তরা ফেরদৌসী বেগমকে মারধর করেন। একপর্যায়ে সাগর মিয়া লোহার সাবল দিয়ে আঘাত করলে ফেরদৌসী বেগম গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রায় ৭ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর ফেরদৌসী বেগমকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার পীরগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে। মামলার নম্বর ২০/৪৯৪।এ বিষয়ে পীরগঞ্জ থানার কর্মকর্তা সোহেল রানা জানান, “ঘটনার বিষয়ে একটি মামলা গ্রহণ করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।