পিরোজপুরের নাজিরপুরে আগেভাগেই জেঁকে বসেছে শীত। সঙ্গে বইছে ঠান্ডা বাতাস। সেই সঙ্গে দিনের বেলাও ঝরছে ঘন কুয়াশা। এ কারণে সড়কে যানবাহন চলছে হেডলাইট জ্বালিয়ে। সরেজমিনে দেখা গেছে, বেলা ১১টা পর্যন্ত সূর্য্যরে দেখা মিলছে না। অপরদিকে শীতে বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ। বাড়ছে শীতজনিত নানা রোগ। এরই মধ্যে নাজিরপুরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অধিদফতর। রবিবার (০৪ জানুয়ারী) সকালে নাজিরপুর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ঘুরে দেখা যায়, বৃষ্টির মতো কুয়াশা ঝরছে। তীব্র ঠাণ্ডায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। শীতের প্রকোপ থেকে বাঁচতে জড়োসড়ো হয়ে চলাচল করছেন পথচারীরা। এদিকে নাজিরপুর থেকে পিরোজপুর, বরিশাল, বাগেরহট ও গোপালগঞ্জ সড়কে চলাচলরত বাস, ট্রাক,প্রাইভেটকার, অটোরিকশা ও ঢাকাগামী সব গণপরিবহনকে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করতে দেখা গেছে। ঘন কুয়াশা আর শীতের প্রভাবে গাড়িগুলো ধীরগতিতে চলছে। ভোর থেকে কুয়াশার পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়ায় পিরোজপুরে সূর্যের মুখ দেখা যায়নি। হঠাৎ শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন যানবাহনের চালকসহ যাত্রীরা। পিরোজপুর থেকে আসা অটোরিকশা চালক জাকির হোসেন বলেন, কুয়াশা এবং শীত দুটি অনেক বেশি। কুয়াশার কারণে গাড়ি নিয়ে আসতে অনেক সমস্যা হয়েছে। খুব ভয়ে ভয়ে গাড়ি চালিয়ে আসলাম। ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা ট্রাকচালক কবির হোসন বলেন, কুয়াশার কারণে সামান্য দূরে কি আছে তা দেখতেই হিমিশিম খেতে হচ্ছে। যার কারনে হেডলাইট জ্বালিয়ে ধীরে ধীরে গাড়ি চালিয়েছি অসতে হয়েছে। শীতের তীব্রতায় সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছেন নিম্নআয়ের মানুষ, খেটে খাওয়া শ্রমজীবী ও রাস্তায় কাজ করা মানুষজন। পর্যাপ্ত শীতবস্ত্র না থাকায় অনেকের জন্য এই শীত আরও কঠিন হয়ে উঠছে।