অবৈধ বিলবোর্ডে ছেয়ে গেছে নীলফামারী

এফএনএস (ওবায়দুল ইসলাম; সৈয়দপুর, নীলফামারী) : | প্রকাশ: ৫ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৪:৪৬ পিএম
অবৈধ বিলবোর্ডে ছেয়ে গেছে নীলফামারী

নীলফামারীর সৈয়দপুর মহাসড়কের অনেক অংশে অবৈধ বিলবোর্ডে ছেয়ে গেছে। বাসটার্মিনাল শ্রমিক অফিসের ছাদে,টার্মিনালের টিকিট কাউন্টারের ওপরে, মসজিদের সামনে, দিনাজপুর নীলফামারী সড়কে দাঁড়ানো বাসের সামনে, চৌধুরী বোর্ডিং,সুমনা পাম্পের সাথে, এদিকে ওয়াপদা মোড়ে থেকে শুরু করে পৌরসভা এলাকায় প্রায় ৪০টির বেশী মহাসড়কের পাশে বিভিন্ন কোম্পানীর বিজ্ঞাপন দিয়ে বিলবোর্ড লাগানো হয়েছে। রাস্তার পাশে গড়ে উঠা আবাসিক ও বাণিজ্যিক ভবনসহ সরকারি-বেসরকারি মালিকানাধীন জমিতে কোথাও না কোথাও প্রতিনিয়ত অবৈধভাবে বিলবোর্ড টানানো হচ্ছে। কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি সওজের জায়গা দখল করে বিলবোর্ড স্থাপন করে বিজ্ঞাপনের জন্য মোটা অংকের বিনিময়ে ভাড়া দিয়েছে। আর্থিক চুক্তির মাধ্যমে এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলেও অজ্ঞাত কারণে রাজস্ব আদায় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সরকার। নীতিমালা অমান্য করে এগুলো স্থাপন করায় একদিকে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ঢাকা পড়ে গেছে এবং সড়কের জায়গা সংকুচিত হচ্ছে। বিজ্ঞাপনী সংস্থাগুলো এসকল বিলবোর্ড থেকে প্রতিবছর কোটি টাকা হাতিয়ে নিলেও রাস্তার পাশে থাকা বিজ্ঞাপনী এই বিলবোর্ড থেকে সড়ক বিভাগ অজ্ঞাত কারণে কোন অর্থই আদায় করতে পারছে না। জানা যায় মহাসড়কের বিভিন্ন অংশের রাস্তার দু'পাশে রয়েছে সাইন ও বিলবোর্ড। এসকল বিজ্ঞাপন বোর্ডের প্রতিটির সাইজ সর্বনিম্ন ৪৫০ বর্গফুট থেকে সর্বোচ্চ ৮ হাজার বর্গফুট। যা বাজার মূল্যে প্রায় কোটি টাকার উপরে বিজ্ঞাপনী সংস্থাগুলো এ সকল বোর্ড বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে নিকট বাৎসরিক হিসেবে ভাড়া প্রদান করে। অপরান্তে সরকার পাচ্ছে না কোন প্রকার রাজস্ব।  সরেজমিনে পৌরসভা এলাকায় দেখা গেছে,  সওজ, পৌরসভা, বিভিন্ন বাণিজ্যিক ও আবাসিক ভবনের ছাদে সব মিলিয়ে প্রায় ৫০ টির মতো বিলবোর্ড রয়েছে। শুধু মাত্র টার্মিনাল থেকে পাচমাথা পর্যন্ত এই এক কিলোমিটারের মধ্যেই রয়েছে প্রায় ২০টির অধিক বিলবোর্ড। এব্যাপারে জানতে চাইলে নীলফামারী সড়ক ও জনপদ বিভাগের দায়িত্ব প্রাপ্ত প্রকৌশলী জানান, মহাসড়কের  অংশে যে বিলবোর্ড লাগানো হয়েছে  সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।