দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলায় গত ১ সপ্তাহ ধরে সারাদেশের মত কাহারোল উপজেলা জুড়ে শৈত্য প্রবাহ বিরাজ করছে। বছরের এই সময়ে কৃষি নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষক। শৈত্য প্রবাহে কৃষি ক্ষেত্রে ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। বিশেষ করে বোরো ধানের বীজতলা হলুদ হয়ে মরে যাচ্ছে, আলু, সরিষা, পেয়াজ, টমেটো, সীম, করলা সহ বিভিন্ন শীতকালীন সব্জিও ফসলের মুকুল ও পাতা কালো হয়ে যাচ্ছে। যার ফলে মারাত্মকভাবে ফসল উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তীব্র শীতে ফসলের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হওয়ায়, ডোগা মরে যায় এবং রোগ বালাই এর প্রকোপ বাড়ে। যা কৃষকের ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির কারণ হয়। ঘন কুয়াশা ও তীব্র শীতে বীজতলা হলুদ হয়ে যায় এবং চারা মারা যায়। যা পরবর্তীতে রোপন মৌসুমকে প্রভাবিত করে। কাহারোল উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি রবি মৌসুমে উপজেলায় ১ হাজার ১ শত ৩৪ হেক্টর জমিতে সরিষা ও ৩ হাজার ৩শত ৩৩ হেক্টর জমিতে আলু এবং ৫ হাজার ৫ শত ৫০ হেক্টর জমিতে বোরো চাষর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর বোরো বীজতলা ২শত ৭৯ হেক্টর জমি। শৈত্য প্রবাহে শীতের প্রকোপ থেকে বীজতলা রক্ষার্থে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাগণ বোরো ধানের বীজতলায় কৃষককে বিকেলে সেচ দিতে বলছেন, সেই পানি সকালে বের করে দিয়ে আবার নতুন পানি নিচ্ছে প্রতিদিন সকালে চারার উপর জমা হওয়া শিশির নিতে কাজ করছে। কাহারোল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ জাহিদুল ইসলাম জানান, কৃষিতে আবহাওয়া এবং জলবায়ু পরিবর্তন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে সব সময় কৃষকদের কাজ করতে হয়। শৈত্য প্রবাহে সবচেয়ে বেশী ক্ষতিগ্রস্ত হয় রবি শষ্য এবং বোরো বীজতলা। আমরা কৃষকদের শুরু থেকে প্রতিরোধ মূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পরামর্শ দিয়ে আসছি। আশা করি, দ্রুত আবহাওয়া অনুকুলে চলে আসবে।