বাজিতপুর আন্ত নগর ট্রেনে বিনা টিকেটে যাত্রী

এফএনএস (মহিউদ্দিন লিটন; হাওর অঞ্চল, কিশোরগঞ্জ) : | প্রকাশ: ৮ জানুয়ারী, ২০২৬, ০২:২৮ পিএম
বাজিতপুর আন্ত নগর ট্রেনে বিনা টিকেটে যাত্রী

কিশোরগঞ্জ হতে ঢাকা টু কিশোরগঞ্জ আসা ও যাওয়ার পথে দুটি আন্তনগর ট্টেনের খাওয়ার বগিতে বিনা টিকেটে যাত্রীদের হিড়িক পড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এদিকে ট্টেন হলো এগারোসিন্দুর ও কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেস। এর মধ্যে বাজিতপুর-সরারচর রেল স্টেশন এখন নিয়ময়ের ছেয়ে অনিয়মের রাজক্ত চলছে। এ দুটি ট্টেনে নির্ধারিত ট্টেনের টিকেট ভাড়ার ছেয়ে কালো বাজারিদের হাতে সাধারন যাত্রীরা জিম্নি হয়ে উঠেছে। এর পরে এ চক্রটি খাওয়ার বগি সিনটিগেট তৈরি করে বিনা টিকেটে রেলের বগিতে বিনা টিকেটে উঠার জন্য যাত্রীদের উৎসাহিত করছে বলে যাত্রীদের অভিযোগ। ফলে রেলের কর্তৃপক্ষ যেমন বিশাল অঙ্কের রাজস্ব হারাছে তেমনি ভাবে যাত্রীদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও শংকিত হয়ে উঠছে। রেলে নিতিমালা উনুযায়ী টেনের খাবার বগিতে শুধু স্টাফ গণ থাকার ও খাদ্য দ্রব্য সরবরাহের জন্য নির্ধারিত। সে স্থলে খাবার বগিতে যাত্রীর প্রবেশ বা অবস্থা নিষিদ্ব ও অপরাধ। সরজমিনে আন্তনগর এগারোসিন্দু ও কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্টেনের খাবার বগিতে প্রায় প্রতিদিনিই থাকে যাত্রীদের উপছে পড়া ভীড়। টিকেট চেকিং স্টাফ (টিটি) বগিতে ও যাত্রী থাকে প্রায় সময়। এসব বগিতে যাত্রীদের প্রবেশ করলেই নির্ধারিত ভাড়ার ছেয়ে দুই থেকে তিন গুণ ভাড়া নেই বলে অভিযোগ উঠেছে। বগিতে যাত্রীদের গাদাগাদি উঠানোর ফলে শুধু আইন বঙ্গ হচ্ছে না, যে কোনো দূঘটনার শিকার হতে পারে বলে এবং বহুলাংশে অপরাধ বেড়ে যাচ্ছে। জানাজায় এদুটি ট্টেনের অনিয়মের সঙ্গে রেল ওয়ের কিছু অসাধু স্টাফ ও টিকেট কালো বাজারিরা যোগ সূত্রে এসব অনিয়ম হচ্ছে। যখন প্রকৃত যাত্রীরা টিকেট কিনতে ব্যথ হচ্ছেন, তখনি তারা বাধ্য হয়ে কালো বাজারিদের কাছ থেকে বেশি টাকা দিয়ে টিকেট কিনতে বাধ্য হচ্ছে। টিকেট বিক্রি করে রেল ওয়ের কর্তৃপক্ষ এ বিশাল অঙ্ক রাজস্ব পেত, এখন তা কালো বাজারি হাতে চলে যাচ্ছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েক জন যাত্রী বলেন, বাধ্য হয়ে স্টেশন থেকে টিকেট না পেয়ে কালো বাজারিদের নিকট থেকে টিকেট নিচ্ছেন বেশি দামে। বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ বিষয়টি ব্যবস্থা নিবেন কি।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে