চাটমোহরে মাদ্রাসায় নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগের তদন্ত শুরু

এফএনএস (হেলালুর রহমান জুয়েল; চাটমোহর, পাবনা) : | প্রকাশ: ৯ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৩:২৫ পিএম
চাটমোহরে মাদ্রাসায় নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগের তদন্ত শুরু

পাবনার চাটমোহর উপজেলার জগতলা সিদ্দিকীয়া দ্বি-মুখী দাখিল মাদ্রাসায় নিয়োগ কার্যক্রমে স্বজনপ্রীতি,দুর্নীতি ও অর্ধকোটি টাকার নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগের তদন্ত শুরু করেছে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কর্তৃক গঠিত তদন্ত কমিটি। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৩টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মাদ্রাসায় তদন্ত কাজ করেন তদন্ত কমিটি। তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আব্দুল মতিন,সদস্য সহকারী প্রোগ্রামার, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আব্দুল্লাহ আল নোমান এবং উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার গোলাম মোস্তফা মাদ্রাসার সুপার মোঃ আবুল হোসেন,অভিযোগকারীসহ সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য শোনেন। সেইসঙ্গে নিয়োগ সংক্রান্ত নথিপত্র যাচাই-বাছাই করেন তারা। এ সময় উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ সোহেল রানা,চাটমোর প্রেসক্লাবের সভাপতি হেলালুর রহমান জুয়েল,সহ-সভাপতি সঞ্জিত সাহা কিংশুক,সাংবাদিক শাহীন রহমান,আঃ লতিফ রঞ্জু,সাবেক ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন,সাবেক ইউপি সদস্য দবির উদ্দিন,মাদ্রাসার কমিটির সদস্যসহ এলাকার অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।  তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আব্দুল মতিন বলেন,'অভিযোগের ভিত্তিতে গঠিত তদন্ত কমিটি হিসেবে আমরা উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনেছি। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। তদন্ত শেষ হয়নি। আমরা আরো যাচাই-বাছাই সাপেক্ষে প্রতিবেদন দাখিল করবো।' অভিযুক্ত মাদ্রাসা সুপার আবুল হোসেন বলেন,'স্বচ্ছতার সাথে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। কোন ধরনের অর্থনৈতিক লেনদেন,অনিয়ম বা স্বজনপ্রীতি করা হয়নি। প্রশ্নফাঁসের অভিযোগও ভিত্তিহীন। তদন্ত কমিটি যদি নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়মের সত্যতা পায়,তাহলে যে ব্যবস্থা নেবে আমি তা মেনে নেবো।'  এই মাদ্রাসার ৪জন কর্মচারী নিয়োগে অর্ধকোটি টাকার নিয়োগ বানিজ্য হয়েছে মর্মে রাকিবুল নামের এক চাকুরিপ্রার্থী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুসা নাসের চৌধুরীর কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত ২১ ডিসেম্বর তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। অভিযোগে বলা হয়,মাদ্রাসার সভাপতি একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক বুলবুল আহমেদ ও মাদ্রাসার সুপার আবুল হোসেন যোগসাজস করে অর্ধকোটি টাকার বাণিজ্য করে চারটি পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করছেন।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে