আশাশুনির রাস্তায় জনভোগান্তি চরমে

এফএনএস (জি.এম. মুজিবুর রহমান; আশাশুনি, সাতক্ষীরা) : | প্রকাশ: ৯ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৭:২০ পিএম
আশাশুনির রাস্তায় জনভোগান্তি চরমে

আশাশুনি উপজেলার চেউটিয়া হতে খাজরা বাজার রাস্তায় ইট ও খোয়া বিছিয়ে রাখায় জনভোগান্তি চরম আকার ধারণ করেছে। ফলে ৫ গ্রামের মানুষ যানবাহন নিয়ে দূরে থাক, পায়ে হেটেও চলাচল করতে না পারায় জনজীবন বিপর্যস্ত হতে চলেছে। চেউটিয়া বাজার থেকে খাজরা বাজার পর্যন্ত সড়ক নির্মান কাজ শুরু হয়েছে। প্রথমে রাস্তার ইট উঠিয়ে ও পরে মাটির কাজ করে ফেলে রাখা হয় দীর্ঘ সময়। এতে সড়কে চলাচলকারী যানবাহন ও পায়ে হেটে চলা মানুষ কষ্টকর পরিস্থিতিতে পড়ে। সম্প্রতি শুরু হয়েছে ইটখোয়ার কাজ। প্রায় ৫ কিঃমিঃ সড়কে কাজে চরম বেহাল দশার সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে প্রায় ১ কিঃমিঃ রাস্তার উপর পুরোটাই আস্ত ইট ফেলে রাখা হয়েছে এবং কিছু অংশে খোয়া ফেলে রাখা হয়েছে। এলাকাবাসী বারবার দাবী করেছে, একবারে পুরা রাস্তায় ইট না ফেলে যতটুকু ফেলে চলাচলের ন্যুনতম ব্যবস্থা করা যায় করা হোক। রোলার টেনে সমান করা হোক। এরপর নতুন অংশে আবার ফেলান হোক। কিন্তু না, ঠিকাদারের লোকজন কোন কথা শুনতে রাজী নয়, তারা একবারে এক কিলোমিটার এলাকায় পুরো রাস্তা জুড়ে ইট ফেলে এমন করে রাখা হয়েছে যে, তার উপর দিয়ে যান বাহন চলাচল কোন ভাবেই সম্ভব নয়। আবার কিছু অংশে ইটের খোয়া একই ভাবে ফেলে রাখা হয়েছে। সমান করা হচ্ছেনা, রোলার করাও হচ্ছেনা। ফলে কোন রকম যানবাহন চলাচল করতে পারছেনা। এমনকি পায়ে হেটে চলতেও খুব ঝুঁকি ও কষ্টকর হয়ে পগেছে। এলাকার অমিয়, ভিষ্ম, আনার আলী জানান, এই সড়ক দিয়ে চেউটিয়া, পিরোজপুর, ফটিকখালী, খাজরা গ্রামের লোকজন চলাচল করে থাকে। তারা সড়কে চলাচল করতে না পারায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। এই সড়কে ৫০ অধিক মোটর সাইকেল চালক ভাড়ায় চলাচল করে সংসার নির্বাহ করে থাকে। এসব মোটর সাইকেল চালকরা রোড বন্ধ করে রাখায় বিপদগ্রস্থ হয়ে পড়েছে। তাদের দাবী সড়কের কাজ যতটুকু রোলার করা যায় ততটুকু খোয়া ফেলে ও ইট ফেলে কাজ শেষ করা হোক এবং পরবর্তী পরের অংশে হাত দেয়া হোক।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে