ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলার টিলারচর গ্রামের কবির খন্দকারের মেয়ে সীমা আক্তার (১৮) সেমাবার দুপুরে নিজ বাড়ীতে গলায় রশি পেচিয়ে আত্নহত্যা করেছে বলে পরিবারের দাবী। সীমা আক্তার চরভদ্রাসন সরকারি কলেজ থেকে এ বছর এইচএসসি পাশ করেছেন। উক্ত ছাত্রীকে বাড়ীর বাংলো ঘরের আড়ার সাথে গলায় রশি পেচিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্দার করে চরভদ্রাসন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত্য ঘোষনা করেন। পরে চরভদ্রাসন থানা পুলিশ কলেজ ছাত্রীর লাশটি ময়না তদন্তের জন্য ফরিদপুর মর্গে পাঠিয়েছেন। এ ব্যাপারে চরভদ্রাসন থানার সেকেন্ড অফিসার রফিকুল ইসলাম বলেন, “ আমরা ঘটনাস্থলে ঘুরে আত্নহুতির বিষয়টি তদন্ত করছি। পরে মামলা হবে”। নিহত কলেজ ছাত্রীর পারিবারিক সূত্র জানায়, গত দু’বছর আগে নিহত কলেজ ছাত্রীর মা জাবেদা বেগম মারা যায়। পরিবারে চার বোনের মধ্যে সীমা আক্তার সবার ছোট। কিছুদিন ধরে সে মানষিক রোগে ভুগছিলে। তার বাবা বাড়ীর পাশে জাকেরের সুরা বাজারে একটি মুদি দোকান দিয়ে ব্যাবসা করতো। ঘটনার দিন দুপুরে পিতা কবির খন্দকার বাড়ী থেকে খাওয়া দাওয়া সেরে দোকানে যায়। এ সময় বাড়ীতে কেউ ছিল না। কিছুক্ষন পরে নিহতের সেজ বোন বাড়ীতে এসে বোনকে দেখতে পান না। কিন্তু বাংলো ঘরের দরজা বন্ধ দেখেন। পরে বাংলো ঘরের দরজা ভেঙে বোনকে গলায় রশি পেচিয়ে আড়ার সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। সেখান থেকে কলেজ পড়ুয়া বোন উদ্ধার করে চরভদ্রাসন হাসপাতালে আনলে ডাক্তার তাকে মৃত্যু ঘোষনা করেন। হাসপাতালে দাড়িয়ে নিহতের খালা লাবনী আক্তার (৪০) জানান, “ কলেজ ছাত্রী সীমা আক্তার জ্বীনে ধরা রোগী ছিল। সে মাঝে মধ্যে মানষিক ভারসাম্য হারিয়ে অস্বাভাবিক আচরন করে আসছিল। কিন্ত কেন যে সে গলায় ফাঁস দিলো তা আমি বলতে পারবো না”।