কিশোরগঞ্জের সেচ্ছাসেবী যুব কল্যাণমুলক সংস্থা যুব উন্নয়ন পরিষদ এর সম্মাননা ২০২৬ পেয়েছেন কিশোরগঞ্জ যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের ডিডি কথা সাহিতিক রফিকুল ইসলাম শামীম। গত মংগলবার জেলা সদর উপজেলার মহিনন্দ ইউনিয়নের গোয়ালাপাড়ায় অবস্থিত যুব উন্নয়ন পরিষদের কার্যালয়ে বেকার যুব-যুবতীদের আত্নকর্মসংস্থানের লক্ষ্যে গরু মোটাতাজাকরণ বিষয়ক ৭ দিন ব্যাপী প্রশিক্ষণের সমাপনী উপলক্ষে আলোচনা, যুব প্রশিক্ষণ সেন্টার, শিশু ও বয়স্ক শিক্ষা কেন্দ্রের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ সম্মাননা প্রদান করা হয়। এতে সংবর্ধিত অতিথি ছিলেন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপপরিচালক কথা সাহিতিক মোঃ রফিকুল ইসলাম শামীম। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ নজরুল ইসলাম মিয়া, সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা কামাল হোসেন, মো: শাহান শাহ ভুঁইয়া। এতে সভাপতিত্ব করেন সেচ্ছাসেবী যুব কল্যাণ সংস্থা যুব উন্নয়ন পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি মো.আমিনুল হক সাদী। অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ইট প্রস্তুতকারী মালিক সমিতি কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. মোস্তফা কামাল, সাংবাদিক মো. আসাদুজ্জামান আসাদ,সমাজকর্মী মো. ফরহাদ ইসলাম, মুখানিভেতা রিফাত ইসলাম। পরে উপপরিচালক রফিকুল ইসলাম শামীম যুব-যুব মহিলাদের আত্নকর্মসংস্থানের লক্ষ্যে গরু মোটাতাজাকরণ বিষয়ক ৭ দিন ব্যাপী প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে ভাতা বিতরণ করেন এবং বেকার যুব সম্রদায়ের জন্য প্রশিক্ষণ সেন্টার, শিশু ও বয়স্কদের শিক্ষা কেন্দ্রের শুভ উদ্বোধন করেন। এসময় যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের কর্মকর্তা,যুব উন্নয়ন পরিষদের নেতৃবৃন্দ,প্রশিক্ষিত যুব ও যুব মহিলাগণ উপস্থিত ছিলেন। প্রসংগত প্রশিক্ষিত সফল যুবক আমিনুল হক সাদী ২০১০ সালের ১০ মার্চ যুব উন্নয়ন পরিষদ নামে একটি যুব কল্যাণমূলক সামাজিক সংগঠন তৈরি করে দক্ষ যুব সংগঠক হিসেবে সুনাম কুরিয়েছেন। যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর কর্তৃক ২০২০ সালে এ সংগঠনকে নিবন্ধন দিলে তিনি আরো উৎসাহিত হন। এলাকায় তার যুব কর্মে উদ্বেলিত হয়ে আরো ১০টি যুব সংগঠন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তার যুবকর্মের স্বীকৃতি হিসেবে প্রথমে নিজ মহিনন্দ ইউনিয়ন, পরবর্তীতে সদর উপজেলা প্রশাসন ও জেলা প্রশাসন থেকে জেলা পর্যায়ে এমনকি জাতীয় পর্যায়ের বিভিন্ন সংগঠনের থেকে শ্রেষ্ঠ যুব সংগঠক হিসেবে পেয়েছেন সম্মাননার স্বীকৃতি। তার এ সংগঠনের কার্যক্রমের মাধ্যমে এলাকায় ব্যাপকভাবে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। সমাজকর্মী আমিনুল হক সাদীর সফলতা দেখে এলাকার বেকার যুবারাও কর্মসংস্থানের দিকে ধাবিত হচ্ছে। তিনি বিভিন্ন দপ্তরের মাধ্যমে আড়াই হাজার মানুষকে প্রশিক্ষণের আওতায় এনেছেন। তন্মধ্যে ৩ শতাধিক ব্যক্তিকে স্বাবলম্বী করে তোলেছেন। সাদীর উদ্যোগে ও প্রচেষ্ঠায় এলাকার ১০জন বেকার যুবকের সরকারি-বেসরকারি চাকরিতে কর্মসংস্থান হয়েছে। বিদেশে আরো ১০জন বেকারকে কর্মসংস্থানের সহযোহিতা করেছেন। যেকোনো দুর্যোগমোকাবিলাসহ নানা কার্যক্রমের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাথে উৎপ্রোতভাবে জড়িত থেকে বিরল অবদান রেখে আসছেন। এ সংগঠনটির মাধ্যমে এযাবত ৫০ জন গুনী ব্যক্তীকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করেছে। সমাজ কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সাদী ও তার সংগঠন অগ্রণী ভূমিকা পালন করছেন।