প্যারোলে মুক্তি পেয়ে মায়ের জানাজায় অংশ নিয়েছেন চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ পৌরসভা সাবেক পৌর মেয়র ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ ফরিদগঞ্জ পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল হক। শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) দুপুরে তাঁকে প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয়। পরে দাফন শেষে আবারও তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকার একটি হাসপাতালে মারা যান মাহফুজুল হকের মা বদরুন্নেছা (৬০)। পরে পরিবারের লোকজন প্যারোলে মুক্তির আবেদন করলে ঢাকা গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগার কর্তৃপক্ষ তাঁকে মায়ের জানাজা পর্যন্ত প্যারোলে মুক্তি দেয়। পুলিশের একটি ভ্যানে করে তাঁকে গ্রামের বাড়ি চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ পৌর এলাকার কাছিয়াড়া গ্রামের জমাদার বাড়ির মাঠে জানাজা ও দাফনের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। প্রত্যক্ষদর্শী ব্যক্তিদের কয়েকজন জানান, মায়ের জানাজায় অংশ নেওয়ার সময় সাবেক মেয়র মাহফুজুল হকে এক হাতে হাতকড়া ছিল। এ সময় তাঁকে ঘিরে রেখেছিল পুলিশ। জানাজায় সাবেক মেয়র মঞ্জিল হোসেনসহ দলমত নির্বিশেষে কয়েক হাজার ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা অংশ গ্রহণ করেন। মৃত্যুকালে মা বদরুন্নেছা ৪ পুত্র, ৩ কন্যা ও স্বামীসহ অসংখ্য আত্মীয় স্বজন রেখে যান তিনি। মরহুমার জানাজার ইমামতি করেছেন তাঁর স্বামী বীর মুক্তিযোদ্ধা মাওলানা শহিদ উল্যাহ। পুলিশ সূত্র জানায়, মাহফুজ ফরিদগঞ্জ পৌর সদর এলাকার কাছিয়াড়া গ্রামের মাওলানা শহিদ উল্যার ছেলে। সে গত ২০১৭ সালে পৌরসভা নির্বাচনে নৌকা প্রতীক পেয়ে মেয়র হিসেবে নির্বাচিত হন। বুধবার (৮ অক্টোবর ২০২৫) রাতে ঢাকার ডেমরা থানা এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।