তানোরে ভাতের সাথে বিষ মিশিয়ে হাঁস-মুরগী মেরে ফেলার অভিযোগ

এফএনএস (সাইদ হোসেন সাজু; তানোর, রাজশাহী) : | প্রকাশ: ২০ জানুয়ারী, ২০২৬, ০২:৫৬ পিএম
তানোরে ভাতের সাথে বিষ মিশিয়ে হাঁস-মুরগী মেরে ফেলার অভিযোগ

রাজশাহীর তানোরে বাড়ির উঠানে ভাতের সাথে বিষ মিশিয়ে শতাধিক হাঁস মুরগীসহ মেরে ফেলা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার সকালে উপজেলার তালন্দ ইউনিয়নের কালনা পূর্বপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত হাঁস-মুরগীর মালিক শাফিউল ইসলাম ও আশরাফুল ইসলাম একই গ্রামের আনেস আলী কারিগরের বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহীর কর্মকর্তার দফতরে ও থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। তারা গৃহপালিত হাঁস-মুরগী হত্যাকারী আনেসের শাস্তির দাবি তুলেছেন।  স্থানীয়রা জানায়, চার/পাঁচদিন আগে মতিউর নামের আরেক ব্যক্তির একই কায়দায় ৬টি মুরগী ও চারটি বাচ্চা মেরে ফেলা হয়। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, পূর্ব শক্রতার জের ধরে মঙ্গলবার সকাল ৬টার দিকে বাড়ির উঠানে ভাতের সাথে বিষ মিশিয়ে ছিটিয়ে দেয়। এতে বিভিন্ন বাড়ির পোষা হাঁস মুরগী বের হওয়া মাত্রই ভাত খাওয়া শুরু করে। খাওয়ার সাথে সাথে মারা যায় হাঁস মুরগীসহ বাচ্চাগুলো। শাফিউল জানান, ভোরের দিকে বাড়ির দরজা খোলা মাত্রই হাঁস মুরগী বের হয়ে উঠানে ফেলা ভাত খাওয়া শুরু করে। কিছুক্ষণের মধ্যে সেগুলো মাটির সাথে লুটিয়ে পড়ে মারা যায়। তিনি জানান, তার ৫ টি হাঁস ও ২৫ টির মতো মুরগী এবং সমপরিমাণ বাচ্চা ছিল। সব মরে গেছে। সামান্য কিছু মরা হাঁস মুরগী নিয়ে ইউএনও স্যারের কাছে এসেছি। যাতে সঠিক বিচার পায়।  তার ভাই আসরাফুল জানান, একই ভাবে বাড়ির উঠানে ভাতের সাথে বিষ মিশিয়ে আমার ১৫টা মুরগী ও ১২ টির মতো বাচ্চা মেরে ফেলেছে। মতিউর নামের আরেক জন জানান, গত চার/ পাঁচ দিন আগে আমার বাড়ির উত্তরে একই কায়দায় ভাত খেয়ে ৬টা মুরগী ও ৫টির মত বাচ্চা মারা যায়। মরা হাঁস মুরগী নিয়ে গ্রামের অন্তত ১৫/২০ জন লোক উপজেলা পরিষদের সামনে এসে ঘটনার বিচার দাবি করেন।  গ্রামবাসী জানায়, গত সোমবার সন্ধ্যার সময় আনেস ঘোষণা দেয় শাফিউল ও আসরাফুলের হাঁস মুরগী মেরে ফেলা হবে। সে মোতাবেক মঙ্গলবার ভাতের সাথে বিষ মিশিয়ে হাঁস মুরগীসহ বাচ্চা মেরে ফেলেছে। তবে এ ব্যাপার আনেস কারিগর হাস মুরগী মারার বিষয় অস্বীকার করেন। থানার ওসি শাহিনুজ্জামান বলেন, অভিযোগ হলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। নির্বাহী অফিসার ইউএনও নাঈমা খান বলেন, অভিযোগ হাতে পেলে উভয় পক্ষকে ডেকে তাদের কথা শোনার পর প্রয়োজন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে