নীলফামারীর প্রথম শ্রেণির পৌরসভা হল সৈয়দপুর। পৌর শহরের ছোট বড় সড়কগুলোর যেন করুণ অবস্থা। দীর্ঘদিন সংস্কার না করায় সড়কগুলো চলাচলে অনুপযোগী হয়ে পড়ে। শহরবাসী নাগরিক সেবা না পেয়ে করে আন্দোলন। দফায় দফায় নাগরিকদের কর্মসূচির চাপে পড়ে ওই সময়ে দায়িত্বে থাকা মেয়র সড়কগুলো সংস্কার কাজে হাত দেন। সে সময় বেশ কয়েকটি সড়ক সংস্কার করা হয়। এরপর পট পরিবর্তন হলে চলমান সড়কের কাজ ছেড়ে চলে যায় ঠিকাদার। পৌর পরিষদে প্রশাসক বসার পর ওই বন্ধ কাজগুলো আবার চালু করা হয়। তবে কাজের গতি ছিল ধীর। বর্তমানে শহীদ ডাঃ শামসুল হক সড়কের চলমান কাজ বন্ধ। এদিকে শহরে একটু বৃষ্টি হলে জমে হাঁটু পানি। পানি জমার কারণ হল ড্রেন নির্মাণ কাজে অনিয়ম। যেন তেন ভাবে ড্রেন নির্মাণের ফলে পানি নিস্কাশন তেমন হয় না। তাছাড়া ড্রেনগুলো নিয়মিত পরিস্কার না করায় জমাটবদ্ধ হয় ড্রেনের নিম্নস্তর। সম্প্রতি শহরে শুরু করা হয়েছে ড্রেন নির্মাণ ও সংস্কার কাজ। এ কাজ করতে গিয়ে মুল ড্রেন বন্ধ করা হয়েছে। মুল ড্রেন বন্ধের কারণে বাসা বাড়ির ব্যবহৃত পানি ড্রেন দিয়ে বের হতে পারছে না। ফলে বাসাবাড়ির ব্যবহৃত পানি জমে তা দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। অনেকের বাসার ময়লাযুক্ত পানি বের হয়ে চলাচলের রাস্তায় জমে আছে। দোকানের সামনে পানি জমে থাকায় ব্যবসা করতে পারছেন না ব্যবসায়িরা। ময়লাযুক্ত দুর্গন্ধ পানি জমে থাকায় পথচারীসহ দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে জনসাধারণের। এ ব্যাপারে ব্যবসায়ি আলাউদ্দিন সরকার বলেন, বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরে বাসাবাড়ির ময়লা পানি দোকানের সামনে জমে আছে। ওই পানি পেরিয়ে কেউ দোকানে আসছে না। যার কারণে ব্যবসায় মন্দা ভাব চলছে। এদিকে ব্যবসায়ি আকতার হোসেন,জাহাঙ্গীর আলম,ভুলু,জানান, দোকানের সামনে পানি জমে থাকায় কেউ আসছে না। বিষয়টি পৌর কর্তৃপক্ষকে মৌখিকভাবে জানিয়েছি কিন্তু তারা কোন ব্যবস্থা নেয়নি। এ সমস্যাটি বিরাজ করছে শহীদ ডাঃ জিকরুল হক সড়কে। এ বিষয়ে সৈয়দপুর পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ শহিদুল ইসলাম বলেন, ড্রেনের কাজ চলমান। পানির পথ বন্ধ না করলে অন্য ড্রেনের কাজ করা সম্ভব হচ্ছে না। তাই একটু কষ্ট করতে হবে সবাইকে। যত দ্রুত সম্ভব সমস্যার সমাধান করা হবে।