নোয়াখালী-২( সেনবাগ-সোনাইমুড়ী আংশিক) আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর হাতপাখার প্রাথী মাওলানা খলিলুর রহমান সেনবাগে কর্মরত সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেছেন। শুক্রবার বিকাল ৩টার সময় সেনবাগ পৌরশহরের নিজস্ব কার্যালয়ে ওই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন, হাতপাখা মার্কার প্রার্থী মাওলানা খলিলুর রহমান, ইসলামী আন্দোলন নোয়াখালীর শাখার সহ সভাপতি আবদুল ওদুদ, জাতীয় ওলামা মাশায়েক আইম্মার পরিষদ নোয়াখালী জেলা উত্তর শাখার সহ-সভাপতি মাওলানা নুরুল ইসলাম, ইসলামী আন্দোলন নোয়াখালী শাখার উপদেষ্টা সহসভাপতি মাওলানা মুফতি আবদুল বাতেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সেনবাগ উপজেলা শাখার সহসভাপতি আবু ছালে মোহাম্মদ জুয়েল, সেক্রেটারী কামরুল হাসান। মাওলালা খলিলুর রহমান সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ইসলামী আন্দোলন সারাদেশে ২৬৬ আসনে প্রাথী ঘোষনা করা হয়। তিনি জানান ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ দেশ ও জাতির এবং ইসলামের কল্যানে কাজ করে। তাই জনগণের সমর্থন জনগণের মতামত নিয়ে জনগণের জন্য কাজ করতে চায়। অতিতে নির্বাচনে অংশ গ্রহন করেছে । তাদের লক্ষ ছিলো দেশ,জাতি ও ইসলামের কল্যান। তিনি বলেন, এ বারের যে নির্বাচন এটি অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ন নির্বাচন। ৫আগষ্টের পর এ দেশের মানুষ পরিবর্তন চায়। যেহেতু দীর্ঘদিন এদেশের মানুষ নির্বাচনে সুষ্ঠু ভাবে ভোট দিতে পারে নাই, এ রকম একটি বার্তা সারাদেশে আছে। বিশেষ করে তরুন প্রজন্ম ভোট দিতে পারেন নাই। ৫ই আগষ্টের পর থেকে তার অধির আগ্রেহে আছে কখন তারা ভোট দিবেন। কবে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন হবে নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে, ভোট দিবে। সেই পরিবর্তনের যাত্র নিয়ে আমোদের নির্বাচনের যাত্র আমরা শুরু করেছি। তিনি আরো বলেন, দীর্ঘ ৫৪ বছর দরে আমরা ভোট দিয়েছে, ভোট নিয়েছি। কিন্তু যে পরিবর্তন হওয়ার দরকার ছিলো সেটি হয়নি। স্বাধীনতার যে পদি পাদ্যগুলো ছিলো সেগুলো এ দেশে মানুষ সে অধিকার পায়নাই। এখনো আমেরা দেখি আমাদের নোয়াখালী-২ আসনের মানুষের অধিকার গুলো শিক্ষা ,চিকিৎসা,অন্ন,বস্ত্র, বাসস্থান থেকে বঞ্চিত ও পিছিয়ে আছে। সব দিক মিলিয়ে আমরা পরিবর্তন চাই। দেশের জনগণ পরিবর্তন চায়। কারণ বাব বার আমরা দেখিছি এদেশের বিশেষ করে বড় তিনটা দলের শাসন আমরা দেখেছি। এই তিনটা দলের শাসন আমলে কে কতটুকু ভালো ছিলো আপনারা মূল্যায় আপনাদের কাছে । যার কারনে আমরা চাই এখানে পরিবর্তন দরকার। আমার সাথ আরো যে সকল প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী গুলো আছে তাদেরকে আমি সাধুবাদ জানাই। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী না থ্কালে নির্বাচন জমেনা। আমি আপনাদের মাধ্যমে ভোটারদেরকেও বলব যেন ভোটারাও এটি বিশ্লেষন করে। আজকে যে প্রাথী গুলো আছে তাদের অতিত কর্মকান্ড কি ছিলো,কতটুকু দেশের কল্যানে কাজ করতে পেরেছে। কতটুকু এদেশে মানুষের কণ্যানে কাজ করতে পেরেছে, শিক্ষা, চিকিৎসা, অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান ও নারীদের অধিকার কতটুকু বাস্তবায়ন করতে পেরেছে। তিনি আরো বলেন, আমি প্রতিশ্রুতি দিতে পারি আল্লাহর মেহের বানীতে আমরা নির্বাচিত হলে শতভাগ বাস্তবায়ন করতে পারন ইনশাআল্লাহ। যত বরাদ্দন আছে ওই বরাদ্দগুলো জনগণের নিকট পৌছে দিব এখানে কোন দুনীতি হবেনা। তিনি অভিযোগ করে বলেন বরাদ্দের ৭০ পার্সেন দুনীতি হয় আর ২০ পার্সেন জনগণের নিকট পৌছে। যদি ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী নির্বাচিত হয় এগুলো হবেনা। তিনি আরো বলেন,অন্যান্য যে প্রতিষ্ঠানগুলো আছে অবকাঠামো গুলো আছে সবগুলো সচল থাকবে। এখানে কোন রাজনৈতিক প্রভাব থাকবেনা। রাজনীতি প্রভাব মুক্ত থাকবে যেন জনগণ সে সেবা গুলো পায়। তিনি অভিযোগের সুরে বলেন নির্বাচনের সময় সাংবাদিক ও প্রশাসনের নিকট থেকে বৈষম্য শিকার হন। সাংবাদিকরা কিছু আগের প্রাথী থাকে তাদের পিছনে দৌড়ে তাদের খবর সংবাদ গুলো ব্যাপক ভাবে ডালাও ভাবে প্রকাশ করে বা কিছু টাকা ওয়ালা প্রাথী থাকে তাদের সংবাদগুলো সুন্দর ভাবে প্রকাশ করে। নতুন কোন প্রাথী আসে তাকে মূল্যায়ন করতে চায়না এটা দুঃখ জনক,এটা উচিত নয় ঠিক নয়। নতুন যারা আছে তাদেরকে যদি উঠতে না দেন তাদরেকে যদি গুরুত্ব না দেন মূল্যায়ন করেন তারা আসবে কি ভাবে । তিনি সাংবাদিদের আহবান জানান যেন কোন প্রার্থী বৈমষ্য্যর শিকার না হন। আপনারা জনগণের বিবেক আপনাদের মাধ্যমে জনগণ সত্যটা পাবে, সত্যটা জনগণের মাঝে তুলে ধরবেন, সমান ভাবে সবাইটা প্রচার করবেন। জোট থেকে বের হয়ে যাবার বিষয়ে তিনি বলেন, দেখেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর ওয়ান বক্স পলিসি ঘোষণা করেন। সকল ইসলামী দলগুলো নিয়ে আমরা এক বক্স দিব বাংলাদেশের মানুষ যেন একবক্সে ভোট দিতে পারে এই লক্ষে আমীর দীঘদিন ধরে নিরলস ভাবে কাজ করেছে। প্রথমে আমরা ইসলামী দলগুলোকে সমযোতা জন্য ঐক্যবদ্ধ হই। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ,বাংলাদেশ খেলাফর মজলিস, নেজামে ইসলামী এই দলগুলো।এরপর জাগপা, এরপর ৭ দলের সাথে জামায়াতে ইসলামীকে জোট বদ্ধ করি ৮দলীয় জোট ঘোষণা করা হয়। হঠাৎ দেখা যায় তারা এনসিপিকে দলের সঙ্গে জোট করলো। যেখানে আমরা জোট গঠনের মূল উদ্যোগত্বা সেখানে আমাদের সাথে পরামর্শ না করে একক ভাবে ১১দলীয় জোট ঘোষনা করা। যেহেতু ইসলামের সার্থে এই জোট কিন্ত আমরা দেখলাম যে সংগঠন গুলোকে জোটবদ্ধ করা হয়েছে তার সাথে ইসলাম সমর্থন করেনা। যেমন একটি প্রোগ্রামে গেলো সেখানে পুরুষের পাশা পাশি মহিলা বসে বৈষম্য দুর করবো এটা ইসলাম সমর্থন করেনা। আবার দেখলাম একজন খ্রিরিষ্টান মহিলা বরল আগামীতে যদি জামায়াতে ইসলাম ক্ষমতায় আসে তা হলে এ দেশে শরীয়া আইন বাস্তবায়ন করা হবেনা। এই বক্তব্য টি দেখার পর চরমোইন পীর এ দেশে হাক্কানী ওলামাদের সঙ্গে পরামর্শ করেন। সেখান থেকে বলা হল যেহেতেু ইসলামের সার্থে সমযোতা সেখানে সমযোতা থাকবেনা সে জোটে থাকার কোন মানে হয়না। আগে আমাদের ইসলাম যেহেতে আমরা মুসুলমান,আগে আমাদের মুসুলমানিত্ব ঠিক রেখে পরে এমপি,মন্ত্রী। এই কারণে ওই জোট থেকে বের হয়ে যাওয়া।