কুমিল্লার নাঙ্গলকোটের হেসাখাল ইউনিয়নের দায়েমছাতি বাজারে শনিবার ভোররাত সাড়ে ৩টার দিকে অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। এসময় আগুনে জান্নাত ভ্যারাইটিজ স্টোর, ইব্রাহিম স্টোর ও দুলাল হোসেনের ভ্রাম্যমাণ খাবারের দোকানের মালামাল আগুনে ভস্মীভূত হয়ে যায়। আগুনের সূত্রপাত এখনো জানা যায়নি। এসময় লাকসাম ফায়ার সার্ভিসে ফোন দিলে ফোন রিসিভ না করে কল কেটে দেয়া হয় বলে দাবি করেন স্থানীয়রা। অগ্নি কান্ডের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা পুনরায় ঘুরে দাঁড়াতে সরকারের কাছে সহযোগিতা কামনা করেন। সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, উপজেলার দায়েমছাতি খিলপাড়া গ্রামের জয়নাল আবেদীনের ছেলে দায়েমছাতি বাজারের জান্নাত ভ্যারাইটিজ স্টোর স্বত্বাধিকারী আব্দুল করিমের (৩৮) দোকানের সব মালামাল পুড়ে ছাঁই হয়ে যায়, এতে তার ৭লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি ব্যবসায়ী আব্দুল করিমের। একই এলাকার আজিয়াপাড়া গ্রামের তেতৈয়া পাড়ার নিজাম উদ্দিনের ছেলে ইব্রাহিম স্টোরের মালিক ইব্রাহিম হোসেনের মোরগ ও কাঠ দোকান পুড়ে যায়, ফলে তার আনুমানিক চার লক্ষ টাকা ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি ওই ব্যবসায়ী। এছাড়া হেসাখাল পূর্বপাড়ার মরহুম রঙ্গু মিয়ার ছেলে ভ্রাম্যমাণ খাবার বিক্রেতা দুলাল হোসেনের মালামাল পুড়ে তার ৪হাজার টাকার ক্ষতি হয় এবং পাশ্ববর্তী দোকান মজুমদার স্টোরের মাহবুবুল হক মজুমদারের দোকানের একটি দেওয়াল ক্ষতিগ্রস্ত হয়। হেসাখাল ইউনিয়ন বিএনপি সাবেক সভাপতি আবুল কালাম খাঁন আজাদ, ইউনিয়ন যুবদল সাবেক আহব্বায়ক রফিকুল ইসলাম খোকন, স্থানীয় মিরাজ ও রুবেল বলেন, দায়েমছাতি বাজারে ভোররাত সাড়ে ৩টার দিকে আগুন লেগে ৩ জন ব্যবসায়ীর সব মালামাল পুড়ে যায়। আমরা খবর পেয়ে এগিয়ে আসলেও আগুনের তীব্রতার কারণে কিছু করতে পারিনি। আমরা লাকসাম ফায়ার সার্ভিসে ফোন দিলে তারা ফোন রিসিভ না করে কেটে দেয়। আমরা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যবসায়ীদের ক্ষতিপূরণ ও সরকারের কাছে নাঙ্গলকোটে একটি ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের দাবী জানাই। নাঙ্গলকোট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লিজা আক্তার বীথি বলেন, বিষয়টি জেনেছি। ক্ষতিগ্রস্তদের পক্ষ থেকে লিখিত আবেদন করলে তাদেরকে সহযোগিতার উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।